পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে সেখানে মাত্র ১৩ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে, কিন্তু বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে শনাক্ত হয়েছে ১৭৬ জন, যা সরকারি হিসাবের তুলনায় প্রায় ১৪ গুণ বেশি।
গলাচিপা উপজেলায় মোট ৩০টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে, তবে এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত আটটি সেন্টারের তথ্যই সংগ্রহ করা হয়েছে। সরকারি হিসাবের বাইরে থাকা রোগীদের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ অনেক রোগী বেসরকারি চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন এবং তাদের তথ্য সরকারি হাসপাতালে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে না।
গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন টেকনোলজিস্ট জানান, সরকারি হিসাব মূলত হাসপাতালে এসে পরীক্ষা করানো রোগীদের ওপর নির্ভরশীল। বেসরকারি সেন্টারগুলোতে শনাক্ত রোগীদের তথ্য সরকারি হিসাবের সঙ্গে যুক্ত না হওয়ায় প্রকৃত চিত্র আড়ালে থেকে যাচ্ছে।
গত এক সপ্তাহে আটটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ১৭৬ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই সেন্টারগুলোর প্যাথলজিস্টরা জানান, অনেক রোগীর প্ল্যাটিলেটের মাত্রা কম থাকলেও ডেঙ্গু পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট আসছে।
গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মেজবাউদ্দিন কালবেলা বলেন, সরকারি হিসাবের জন্য শুধুমাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা রোগীদের তথ্য পাঠানো হয়। তিনি জানান, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে তথ্য দিতে বললে সরকারি হিসাবের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।
সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, গলাচিপায় ডেঙ্গুর প্রকৃত চিত্র জানতে সরকারি ও বেসরকারি সেন্টারের তথ্য নিয়মিতভাবে সমন্বয় করা প্রয়োজন। এতে করে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
অনলাইন ডেক্স 

























