ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা: জানুন কীভাবে নির্ধারণ করবেন

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:০০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০১ Time View

মায়ের গর্ভে একাধিক সন্তানের ভ্রূণ বেড়ে উঠলে তাকে মাল্টিপল প্রেগন্যান্সি বা একাধিক গর্ভধারণ বলা হয়। বাংলাদেশে যমজ শিশুদের জন্মের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা নির্ভর করে বিভিন্ন কারণে, যার মধ্যে রয়েছে বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, ওজন এবং চিকিৎসা পদ্ধতি।

প্রতি ১০০০টি প্রসবে ১২ জন মায়ের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলে যমজ শিশু জন্মদানের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেশি। আইভিএফ পদ্ধতি গ্রহণের মাধ্যমে যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, তবে এটি নিশ্চিত নয়।

যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা নির্ধারণে কিছু বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের ইতিহাসে যমজ সন্তান থাকলে, হাইপার ওভিউলেশন, ওবেসিটি, উচ্চতা এবং বয়সের মতো বিষয়গুলো প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ৩৫ বা ৪০ বছরের বেশি বয়সে সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে যমজ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

যমজ গর্ভধারণের ধরন এবং লক্ষণগুলো সাধারণ গর্ভধারণের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। মনোজাইগোটিক এবং ডাইজাইগোটিক জমজ, ডিকোরিওনিক এবং মনোকোরিওনিক, মনোঅ্যামনিওটিক এবং ডিয়্যামনিওটিক—এগুলো যমজ গর্ভধারণের বিভিন্ন শ্রেণী।

যমজ গর্ভধারণের ফলে নারীর শরীরে গর্ভাবস্থার হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে আরও তীব্র করে তোলে। সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে দ্রুত ওজন বৃদ্ধি, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া, সকালের বমি ভাব এবং ক্লান্তি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প: ইরান একটি ‘ছোট আলু’, আমাদের নিয়ন্ত্রণে

যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা: জানুন কীভাবে নির্ধারণ করবেন

আপলোড সময় : ০৪:০০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মায়ের গর্ভে একাধিক সন্তানের ভ্রূণ বেড়ে উঠলে তাকে মাল্টিপল প্রেগন্যান্সি বা একাধিক গর্ভধারণ বলা হয়। বাংলাদেশে যমজ শিশুদের জন্মের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা নির্ভর করে বিভিন্ন কারণে, যার মধ্যে রয়েছে বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, ওজন এবং চিকিৎসা পদ্ধতি।

প্রতি ১০০০টি প্রসবে ১২ জন মায়ের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলে যমজ শিশু জন্মদানের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেশি। আইভিএফ পদ্ধতি গ্রহণের মাধ্যমে যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, তবে এটি নিশ্চিত নয়।

যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা নির্ধারণে কিছু বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের ইতিহাসে যমজ সন্তান থাকলে, হাইপার ওভিউলেশন, ওবেসিটি, উচ্চতা এবং বয়সের মতো বিষয়গুলো প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ৩৫ বা ৪০ বছরের বেশি বয়সে সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে যমজ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

যমজ গর্ভধারণের ধরন এবং লক্ষণগুলো সাধারণ গর্ভধারণের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। মনোজাইগোটিক এবং ডাইজাইগোটিক জমজ, ডিকোরিওনিক এবং মনোকোরিওনিক, মনোঅ্যামনিওটিক এবং ডিয়্যামনিওটিক—এগুলো যমজ গর্ভধারণের বিভিন্ন শ্রেণী।

যমজ গর্ভধারণের ফলে নারীর শরীরে গর্ভাবস্থার হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে আরও তীব্র করে তোলে। সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে দ্রুত ওজন বৃদ্ধি, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া, সকালের বমি ভাব এবং ক্লান্তি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন