ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুৎ সংকট: আদানির কারিগরি ত্রুটির প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক প্রশ্ন উঠছে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৪ Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর বাতিলের ঘোষণার পর ভারতের আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবীর এই সফর বাতিলের কথা জানান। এর পরদিনই আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, যা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকটকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি পাওয়ারের ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে উৎপাদন ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে। একই সময়ে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে।

বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে আদানির দাবি, কয়লা পরিবহনে সমস্যা এবং বয়লারের ত্রুটি রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, এই পরিস্থিতি কি রাজনৈতিক চাপের ফলস্বরূপ? বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে আদানির দায়বদ্ধতা এবং চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে আলোচনা চলছে।

২০১৭ সালে আদানির গোড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত রয়েছে, যা এখন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে চুক্তির শর্তাবলী পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন হতে পারে।

এখন প্রশ্ন হলো, আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহের এই সংকট কি নিছক কারিগরি সমস্যা, নাকি এর পেছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে চুক্তি, নথি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের তথ্যের মাধ্যমে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ ল’ কলেজের উপাধ্যক্ষের পদত্যাগ, ধর্মীয় বিদ্বেষের অভিযোগ

বিদ্যুৎ সংকট: আদানির কারিগরি ত্রুটির প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক প্রশ্ন উঠছে

আপলোড সময় : ০৪:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর বাতিলের ঘোষণার পর ভারতের আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবীর এই সফর বাতিলের কথা জানান। এর পরদিনই আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, যা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকটকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি পাওয়ারের ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে উৎপাদন ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে। একই সময়ে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে।

বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে আদানির দাবি, কয়লা পরিবহনে সমস্যা এবং বয়লারের ত্রুটি রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, এই পরিস্থিতি কি রাজনৈতিক চাপের ফলস্বরূপ? বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে আদানির দায়বদ্ধতা এবং চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে আলোচনা চলছে।

২০১৭ সালে আদানির গোড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত রয়েছে, যা এখন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে চুক্তির শর্তাবলী পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন হতে পারে।

এখন প্রশ্ন হলো, আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহের এই সংকট কি নিছক কারিগরি সমস্যা, নাকি এর পেছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে চুক্তি, নথি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের তথ্যের মাধ্যমে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন