ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোমোর অভিষেকে বড় জয়, লাইপজিগকে ৪-১ গোলে পরাজিত

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:৪৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৮ Time View

ইউরোপীয় ফুটবলে কোমোর উত্থান একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জার্মান ক্লাব আরবি লাইপজিগকে ৪-১ গোলে পরাজিত করে তারা নিজেদের শক্তি প্রমাণ করেছে।

ম্যাচের আগে কোমোর কোচ সেস্ক ফ্যাব্রেগাস লাইপজিগের বিরুদ্ধে ম্যাচটিকে সাধারণ একটি লড়াই হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তার এই মানসিক কৌশল কার্যকরী হয়েছে, কারণ কোমোর খেলোয়াড়রা ম্যাচে দারুণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছে।

ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন মার্টিন বাতুরিনা, যিনি তাসোস দুভিকাসের পাস ধরে গোলটি করেন। এরপর আসামানে দিয়াও এবং নিকো পাজের সহায়তায় কোমো তাদের গোলের সংখ্যা বাড়ায়। পাজ ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করেন, যদিও তিনি শতভাগ ফিট ছিলেন না।

দ্বিতীয়ার্ধে লাইপজিগ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও কোমোর খেলোয়াড়রা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে থাকে। ফ্যাব্রেগাসের কৌশল অনুযায়ী, কোমো প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগ না দিয়ে ম্যাচটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে।

এই জয়ের মাধ্যমে কোমো চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম রাউন্ডে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট অর্জন করেছে, যা তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ ল’ কলেজের উপাধ্যক্ষের পদত্যাগ, ধর্মীয় বিদ্বেষের অভিযোগ

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোমোর অভিষেকে বড় জয়, লাইপজিগকে ৪-১ গোলে পরাজিত

আপলোড সময় : ০৪:৪৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউরোপীয় ফুটবলে কোমোর উত্থান একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জার্মান ক্লাব আরবি লাইপজিগকে ৪-১ গোলে পরাজিত করে তারা নিজেদের শক্তি প্রমাণ করেছে।

ম্যাচের আগে কোমোর কোচ সেস্ক ফ্যাব্রেগাস লাইপজিগের বিরুদ্ধে ম্যাচটিকে সাধারণ একটি লড়াই হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তার এই মানসিক কৌশল কার্যকরী হয়েছে, কারণ কোমোর খেলোয়াড়রা ম্যাচে দারুণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছে।

ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন মার্টিন বাতুরিনা, যিনি তাসোস দুভিকাসের পাস ধরে গোলটি করেন। এরপর আসামানে দিয়াও এবং নিকো পাজের সহায়তায় কোমো তাদের গোলের সংখ্যা বাড়ায়। পাজ ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করেন, যদিও তিনি শতভাগ ফিট ছিলেন না।

দ্বিতীয়ার্ধে লাইপজিগ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও কোমোর খেলোয়াড়রা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে থাকে। ফ্যাব্রেগাসের কৌশল অনুযায়ী, কোমো প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগ না দিয়ে ম্যাচটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে।

এই জয়ের মাধ্যমে কোমো চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম রাউন্ডে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট অর্জন করেছে, যা তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন