ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে বিদ্যুৎ বন্ধে রোগীদের ভোগান্তি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:২২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৫ Time View

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আজ শনিবার সকাল পৌনে ৯টা থেকে বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। এ কারণে এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়, যা রোগীদের জন্য চরম ভোগান্তির সৃষ্টি করে।

বিদ্যুৎ না থাকায় রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগে থাকা ছয়টি এক্স-রে মেশিন এবং আলট্রাসনোগ্রাফির মেশিন চালানো সম্ভব হয়নি। ফলে এসব পরীক্ষা করাতে আসা রোগীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারসহ বিদ্যুৎনির্ভর বিভিন্ন সেবাতেও বিঘ্ন ঘটে।

এক্স-রে করাতে আসা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, "সকালে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেছি। বিদ্যুৎ না থাকায় এক্স-রে করা হচ্ছিল না।" তিনি জানান, দূর থেকে এসে এভাবে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে ভোগান্তি হয়েছে।

হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, জেনারেটরের ব্যবস্থা থাকলেও বড় মেশিনগুলো জেনারেটরের মাধ্যমে চালানো সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ব্যাহত হয়। তবে কিছু জরুরি সেবা জেনারেটর চালু রেখে অব্যাহত রাখা হয়।

পিডিবির বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম জানান, জরুরি মেরামতকাজের জন্য আগে থেকেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ফোন করে রোগীদের ভোগান্তির বিষয়টি জানালে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ২১ সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কের চিঠি ইমরান খানের চিকিৎসা নিয়ে

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে বিদ্যুৎ বন্ধে রোগীদের ভোগান্তি

আপলোড সময় : ০৪:২২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আজ শনিবার সকাল পৌনে ৯টা থেকে বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। এ কারণে এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়, যা রোগীদের জন্য চরম ভোগান্তির সৃষ্টি করে।

বিদ্যুৎ না থাকায় রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগে থাকা ছয়টি এক্স-রে মেশিন এবং আলট্রাসনোগ্রাফির মেশিন চালানো সম্ভব হয়নি। ফলে এসব পরীক্ষা করাতে আসা রোগীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারসহ বিদ্যুৎনির্ভর বিভিন্ন সেবাতেও বিঘ্ন ঘটে।

এক্স-রে করাতে আসা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, "সকালে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেছি। বিদ্যুৎ না থাকায় এক্স-রে করা হচ্ছিল না।" তিনি জানান, দূর থেকে এসে এভাবে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে ভোগান্তি হয়েছে।

হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, জেনারেটরের ব্যবস্থা থাকলেও বড় মেশিনগুলো জেনারেটরের মাধ্যমে চালানো সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ব্যাহত হয়। তবে কিছু জরুরি সেবা জেনারেটর চালু রেখে অব্যাহত রাখা হয়।

পিডিবির বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম জানান, জরুরি মেরামতকাজের জন্য আগে থেকেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ফোন করে রোগীদের ভোগান্তির বিষয়টি জানালে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন