ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেবীগঞ্জে নার্সকে মারধরের অভিযোগ, ক্লিনিক মালিক অস্বীকার করেছেন

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১০:২০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৫ Time View

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ স্কয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক শহিদুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে এক নার্সকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নার্স কলি রায় জানান, রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে ক্লিনিকের রিসেপশন ফ্লোরে এ ঘটনা ঘটে।

কলি রায় জানান, তিনি গত ২০ জুলাই ক্লিনিকে নার্স হিসেবে যোগ দেন। রোববার সকালে কুলসুম নামে এক নারী ক্লিনিকে ভর্তি হন এবং দুপুর ১২টার দিকে তার সিজারিয়ান অপারেশন হয়। অপারেশনের পর নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্লিনিকের বাইরে তুলনামূলক কম দামে কেনার সুযোগ থাকলেও রোগীর স্বজনদের ক্লিনিক থেকেই সেগুলো কেনার জন্য চাপ দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী নার্স অভিযোগ করেন, রোগীর স্বজনেরা প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাইরে থেকে কিনে আনলে ক্লিনিক পরিচালক বাবুল ক্ষুব্ধ হন। এ সময় বাবুলের ছোট মেয়ে স্নেহাও উপস্থিত ছিলেন এবং তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন কলি। একপর্যায়ে বাবুল তার মাথায় হাত দিয়ে আঘাত করেন।

কলি রায় জানান, ক্লিনিকের দ্বিতীয় তলায় যাওয়ার পর বাবুলের মেয়ে ও চিকিৎসক ডা. শিখা মনি তার সঙ্গে রাগান্বিত হয়ে কথা বলেন এবং তাকে পরদিন থেকে ক্লিনিকে না আসার নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে ক্লিনিকের মালিক শহিদুল ইসলাম বাবুল অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান ভুক্তভোগী নার্সকে আইনের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ২১ সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কের চিঠি ইমরান খানের চিকিৎসা নিয়ে

দেবীগঞ্জে নার্সকে মারধরের অভিযোগ, ক্লিনিক মালিক অস্বীকার করেছেন

আপলোড সময় : ১০:২০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ স্কয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক শহিদুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে এক নার্সকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নার্স কলি রায় জানান, রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে ক্লিনিকের রিসেপশন ফ্লোরে এ ঘটনা ঘটে।

কলি রায় জানান, তিনি গত ২০ জুলাই ক্লিনিকে নার্স হিসেবে যোগ দেন। রোববার সকালে কুলসুম নামে এক নারী ক্লিনিকে ভর্তি হন এবং দুপুর ১২টার দিকে তার সিজারিয়ান অপারেশন হয়। অপারেশনের পর নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্লিনিকের বাইরে তুলনামূলক কম দামে কেনার সুযোগ থাকলেও রোগীর স্বজনদের ক্লিনিক থেকেই সেগুলো কেনার জন্য চাপ দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী নার্স অভিযোগ করেন, রোগীর স্বজনেরা প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাইরে থেকে কিনে আনলে ক্লিনিক পরিচালক বাবুল ক্ষুব্ধ হন। এ সময় বাবুলের ছোট মেয়ে স্নেহাও উপস্থিত ছিলেন এবং তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন কলি। একপর্যায়ে বাবুল তার মাথায় হাত দিয়ে আঘাত করেন।

কলি রায় জানান, ক্লিনিকের দ্বিতীয় তলায় যাওয়ার পর বাবুলের মেয়ে ও চিকিৎসক ডা. শিখা মনি তার সঙ্গে রাগান্বিত হয়ে কথা বলেন এবং তাকে পরদিন থেকে ক্লিনিকে না আসার নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে ক্লিনিকের মালিক শহিদুল ইসলাম বাবুল অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান ভুক্তভোগী নার্সকে আইনের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন