ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় চলমান সংঘর্ষের মধ্যে ভারত থেকে ইসরায়েলে অস্ত্রের চালান পাঠানোর অভিযোগ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২০৬ Time View

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় চলমান সংঘর্ষের সময় ভারত থেকে ইসরায়েলে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দাবি করেছে, ভারত রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসরায়েলে অন্তত ২ হাজার ৫৯৬টি চালানে কয়েক লাখ সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে।

অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এসব চালানে মেশিনগানের যন্ত্রাংশ, কামানের গোলা এবং ড্রোনের বিস্ফোরক ওয়ারহেড অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের পাঠানো চালানগুলোর মধ্যে ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৭০টি বিস্ফোরক অস্ত্রের যন্ত্রাংশ রয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হয়, যার ফলে ২০২৬ সালের ২৯ জুলাই পর্যন্ত অন্তত ২ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হয়েছেন। অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে ভারতের সামরিক সরবরাহের প্রকৃত পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারত থেকে ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের অভিযোগ আগেও উঠেছে। অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর ভারত ইসরায়েলকে যুদ্ধবিমান ও অস্ত্রের যন্ত্রাংশ সরবরাহ করছে।

এদিকে, আল জাজিরার অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ইসরায়েলে সামরিক সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানিতে ভারত ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে ভারতের নয়টি কোম্পানি ও সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠানো হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচিত

গাজায় চলমান সংঘর্ষের মধ্যে ভারত থেকে ইসরায়েলে অস্ত্রের চালান পাঠানোর অভিযোগ

আপলোড সময় : ০১:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় চলমান সংঘর্ষের সময় ভারত থেকে ইসরায়েলে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দাবি করেছে, ভারত রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসরায়েলে অন্তত ২ হাজার ৫৯৬টি চালানে কয়েক লাখ সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে।

অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এসব চালানে মেশিনগানের যন্ত্রাংশ, কামানের গোলা এবং ড্রোনের বিস্ফোরক ওয়ারহেড অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের পাঠানো চালানগুলোর মধ্যে ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৭০টি বিস্ফোরক অস্ত্রের যন্ত্রাংশ রয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হয়, যার ফলে ২০২৬ সালের ২৯ জুলাই পর্যন্ত অন্তত ২ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হয়েছেন। অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে ভারতের সামরিক সরবরাহের প্রকৃত পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারত থেকে ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের অভিযোগ আগেও উঠেছে। অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর ভারত ইসরায়েলকে যুদ্ধবিমান ও অস্ত্রের যন্ত্রাংশ সরবরাহ করছে।

এদিকে, আল জাজিরার অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ইসরায়েলে সামরিক সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানিতে ভারত ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে ভারতের নয়টি কোম্পানি ও সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠানো হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন