রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ ৯ শিবির নেতা ও অজ্ঞাতনামা ১৭-১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নগরের মতিহার থানা আমলি আদালতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা এমএস আসাদ উজ জামান (৫৫) বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
অভিযোগকারীর আইনজীবী হযরত আলী জানান, আদালত মামলাটি প্রাথমিকভাবে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দায়িত্ব দিয়েছেন। তবে আদালত অভিযোগটি আমলে নেননি।
মামলায় অন্যান্য আসামিরা হলেন রাকসুর এজিএস এসএম সালমান সাব্বির (২৬), তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব (২৪), প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মেহেদী সজীব (২৭), সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা (২৬), শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম (২৪), শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসান উল্লা ফারহান (২২), সহতথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ (২৪) এবং নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ (২৬)।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ভুক্তভোগী মো. মাহমুদুল হাসান (মাহিন) বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত সোমবার দুপুরে গ্রন্থাগারে অধ্যয়নকালে ১৯/২০ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাকে মারধর করে। সালাহউদ্দিন আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহিনের মাথায় ও কপালে আঘাত করেন।
মামলার বাদী এম. এস আসাদ উজ জামান জানান, ঘটনার পরদিন মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে থানার ওসি মামলা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। ফলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। বর্তমানে মাহমুদুল হাসান এবং আরেক শিক্ষার্থী আনাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ত্রাসীবিরোধী আইনে গ্রেফতার রয়েছেন।
অনলাইন ডেক্স 























