এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বিরূপ আবহাওয়ার কারণে আন্দোলনে নেমেছেন পরীক্ষার্থীরা। পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি এবং শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের পর আন্দোলনের তীব্রতা বেড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ৪ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ, অসঙ্গতিপূর্ণ প্রশ্নের পূর্ণ মার্ক প্রদান এবং পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন। তবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঁচটি জেলা এবং অন্যান্য কিছু জেলায় ভারী বর্ষণের কারণে পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষায় মারাত্মক ত্রুটি ছিল, যা তাদের মানসিক চাপের সৃষ্টি করেছে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, পরীক্ষার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে জেলা প্রশাসক সিদ্ধান্ত নেবেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিগুলোর মধ্যে পরীক্ষাগুলো স্থগিত করার এবং প্রশ্নপত্রের ত্রুটির জন্য পূর্ণ নম্বর দেওয়ার দাবি করেছেন।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংসদে বলেছেন, স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং পরিস্থিতি মনিটরিং করার কথা জানিয়েছেন।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলন নিয়ে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ আন্দোলনকে যৌক্তিক বলছেন, আবার কেউ অটোপাশের দাবি তুলছেন। সরকারের পক্ষ থেকে সমাধানের ঘোষণা দেওয়ার পরও আন্দোলন কেন চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অনলাইন ডেক্স 























