ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী: ঐতিহ্য ও স্বাদের মিষ্টি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৩ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী একটি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, যার স্বাদে মিশে আছে প্রায় দুই শতাব্দীর ইতিহাস। এই মিষ্টি বাংলার খাবারের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ছানামুখী তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয় গাভির দুধ জ্বাল দিয়ে। এরপর দুধ ঠান্ডা করে ছানা তৈরি করা হয়, যা দীর্ঘ সময় পানি ঝরানোর পর শক্ত হয়ে ওঠে। কারিগরের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এই মিষ্টির স্বাদকে বিশেষ করে তোলে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখীকে ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আবেদনের পর শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে এটি নিবন্ধন লাভ করে, যা এই অঞ্চলের ঐতিহ্য ও কারিগরি দক্ষতার স্বীকৃতি।

ছানামুখী তৈরির প্রক্রিয়া এখনও বংশপরম্পরায় চলছে। স্থানীয় কারিগররা এই মিষ্টি তৈরি করে আসছেন, যা শুধু একটি মিষ্টি নয়, বরং তাদের পরিবারের ঐতিহ্যের অংশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী শুধু স্থানীয়দের মধ্যে নয়, বরং জেলার বাইরেও জনপ্রিয়। প্রবাসী স্বজনদের জন্য নিয়মিত এই মিষ্টি পাঠানো হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ছানামুখীকে জেলার ব্র্যান্ডিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লিতে ১০ অক্টোবর প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিল ককরোচ জনতা পার্টি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী: ঐতিহ্য ও স্বাদের মিষ্টি

আপলোড সময় : ০৩:১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী একটি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, যার স্বাদে মিশে আছে প্রায় দুই শতাব্দীর ইতিহাস। এই মিষ্টি বাংলার খাবারের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ছানামুখী তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয় গাভির দুধ জ্বাল দিয়ে। এরপর দুধ ঠান্ডা করে ছানা তৈরি করা হয়, যা দীর্ঘ সময় পানি ঝরানোর পর শক্ত হয়ে ওঠে। কারিগরের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এই মিষ্টির স্বাদকে বিশেষ করে তোলে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখীকে ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আবেদনের পর শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে এটি নিবন্ধন লাভ করে, যা এই অঞ্চলের ঐতিহ্য ও কারিগরি দক্ষতার স্বীকৃতি।

ছানামুখী তৈরির প্রক্রিয়া এখনও বংশপরম্পরায় চলছে। স্থানীয় কারিগররা এই মিষ্টি তৈরি করে আসছেন, যা শুধু একটি মিষ্টি নয়, বরং তাদের পরিবারের ঐতিহ্যের অংশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী শুধু স্থানীয়দের মধ্যে নয়, বরং জেলার বাইরেও জনপ্রিয়। প্রবাসী স্বজনদের জন্য নিয়মিত এই মিষ্টি পাঠানো হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ছানামুখীকে জেলার ব্র্যান্ডিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন