কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার নির্বাচনি হলফনামা ও আয়কর রিটার্নে তথ্যের অসংগতি এবং গোপন তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে আবেদন করেছেন সিরাজুল ইসলাম নামের এক ভোটার।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া আবেদনে আমির হামজার ব্যাংক হিসাব, নগদ অর্থ, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, স্ত্রীর সম্পদ, বাড়িভাড়া থেকে আয়, গাড়ির মূল্য, পারিবারিক ব্যয় ও নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, নির্বাচনি হলফনামায় দেওয়া তথ্যের সঙ্গে আয়কর রিটার্ন ও অন্যান্য নথির মধ্যে বেশ কিছু অমিল রয়েছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আয়কর রিটার্নে ব্যাংক ব্যালেন্স শূন্য দেখানো হলেও সংশ্লিষ্ট সময়ে ব্যাংকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। একইভাবে নির্বাচনি হলফনামায় উল্লেখ করা নগদ অর্থের পরিমাণের সঙ্গে আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত অর্থের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া, আমির হামজার স্ত্রীর আয়কর রিটার্ন, তার নামে থাকা কৃষি ও অন্যান্য সম্পদ এবং সংসদ সদস্যের নিজ নামে থাকা একটি আবাসিক প্লটের তথ্য যথাযথভাবে প্রকাশ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন আবেদনকারী।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কুষ্টিয়া-৩ আসনের একজন ভোটার ও সচেতন নাগরিক হিসেবে এ অভিযোগ করেছি। আমির হামজার নির্বাচনি হলফনামায় বেশ কিছু বিষয়ে অসংগতি রয়েছে। এসব তথ্য সবার সামনে উন্মুক্ত হওয়া এবং অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মুফতি আমির হামজার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, তবে তিনি ফোন ধরেননি।
অনলাইন ডেক্স 
























