ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে সেলাইয়ের সময় হাতে কাচের টুকরো, চিকিৎসক বললেন ‘স্যরি’

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ২০২ Time View

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিরুদ্ধে চিকিৎসাসেবা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত সাইদার মিয়া নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসা না পেয়ে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাইদার মিয়া ভূমিহীন ও অসহায়। তিনি মজিদের পাড় এলাকায় অন্যের জমিতে বসবাস করেন। সম্প্রতি তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন এবং একই সময়ে ভাঙা কাঁচের আঘাতে তার বাম হাতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। স্বজনরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ভর্তি না করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

হাসপাতাল থেকে ফিরে আসার পর সাইদার মিয়া প্রায় এক মাস ধরে বাম হাতে কাচের টুকরো নিয়ে যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। পরে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়ে এবং এক্সরে করার পর তার হাতের ভেতর থেকে কাচের টুকরো অপারেশন করে বের করা হয়।

ভুক্তভোগী সাইদার মিয়া বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে তিনি চরম কষ্টে ছিলেন। তিনি হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দাবি করেছেন যে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে তার এই দুর্ভোগ।

এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম জানান, “ওটা ভুলবশত হয়ে গেছে। এজন্য ‘স্যরি’ ভাই। রোগীকে বলেন চিকিৎসা করাতে। আমি এবিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

কুড়িগ্রামে সেলাইয়ের সময় হাতে কাচের টুকরো, চিকিৎসক বললেন ‘স্যরি’

আপলোড সময় : ০৪:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিরুদ্ধে চিকিৎসাসেবা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত সাইদার মিয়া নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসা না পেয়ে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাইদার মিয়া ভূমিহীন ও অসহায়। তিনি মজিদের পাড় এলাকায় অন্যের জমিতে বসবাস করেন। সম্প্রতি তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন এবং একই সময়ে ভাঙা কাঁচের আঘাতে তার বাম হাতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। স্বজনরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ভর্তি না করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

হাসপাতাল থেকে ফিরে আসার পর সাইদার মিয়া প্রায় এক মাস ধরে বাম হাতে কাচের টুকরো নিয়ে যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। পরে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়ে এবং এক্সরে করার পর তার হাতের ভেতর থেকে কাচের টুকরো অপারেশন করে বের করা হয়।

ভুক্তভোগী সাইদার মিয়া বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে তিনি চরম কষ্টে ছিলেন। তিনি হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দাবি করেছেন যে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে তার এই দুর্ভোগ।

এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম জানান, “ওটা ভুলবশত হয়ে গেছে। এজন্য ‘স্যরি’ ভাই। রোগীকে বলেন চিকিৎসা করাতে। আমি এবিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন