পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ১৭ জন শিক্ষক মিলেও এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১৩ শিক্ষার্থীকে পাস করাতে পারেননি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানটির শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি জানা যায়।
প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় দেবীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ থেকে প্রথমবারের মতো ১৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ১২ জন ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স এবং একজন ইলেকট্রনিক কন্ট্রোল অ্যান্ড কমিউনিকেশন ট্রেডের শিক্ষার্থী রয়েছে।
প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, কলেজটিতে অধ্যক্ষসহ অনুমোদিত শিক্ষকের পদ রয়েছে ৪৬টি। তবে বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১৭ জন শিক্ষক। অর্থাৎ, অনুমোদিত পদের বিপরীতে ২৯টি পদ শূন্য রয়েছে।
ফলাফল খারাপ হওয়ার কারণ জানতে চাইলে দেবীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আমি চলতি বছরের মে মাসে এখানে যোগদান করেছি। যোগদানের এক মাস পরই পরীক্ষা শুরু হয়। ফলাফল বিপর্যয়ের পেছনে মূল সমস্যা ছিল শিক্ষক সংকট।’
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সোহেল সুলতান জুলকারনাইন কবির জানান, ‘জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখছি। যেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল খারাপ হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে এবং কীভাবে পরবর্তী সময়ে ফলাফল ভালো করা যায়, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।’
অনলাইন ডেক্স 





















