শরীরের হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য একটি সহজ পরীক্ষা মাত্র ৬০ সেকেন্ডে করা সম্ভব। এই পরীক্ষাটি শরীরচর্চা শেষ করার পর হৃৎস্পন্দন (হার্ট রেট) কত দ্রুত স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে, তা নির্ধারণ করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই পদ্ধতিকে ‘হার্ট রেট রিকভারি’ বা এইচআরআর (HRR) বলা হয়।
শারীরিক পরিশ্রমের সময় হৃদযন্ত্রের গতি বেড়ে যায় এবং শরীরচর্চা থামানোর পর এটি ধাপে ধাপে কমতে শুরু করে। হৃদপিণ্ড ও স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা এই পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যায়। চিকিৎসকদের মতে, শরীরচর্চা থামানোর প্রথম এক মিনিটের মধ্যে হৃৎস্পন্দন অন্তত ১৮ বিট কমে গেলে তা সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ।
১৯৯৯ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, যাদের হৃৎস্পন্দন ধীরে কমছিল, তাদের মৃত্যুঝুঁকি অন্যদের তুলনায় চার গুণ বেশি ছিল। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, ধীরে হৃৎস্পন্দন কমা মানেই মৃত্যুঝুঁকি নয়, বরং এটি হৃদযন্ত্রের যত্ন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার সংকেত।
এই পরীক্ষাটি ঘরে বসেই করা যায়। ভারী ব্যায়াম শেষ করার পর প্রথমে হৃৎস্পন্দন মাপতে হবে এবং এক মিনিট বিশ্রামের পর আবার মাপতে হবে। প্রথম এবং দ্বিতীয় পরিমাপের মধ্যে পার্থক্যই হবে হার্ট রেট রিকভারি।
নতুন ব্যায়ামের রুটিন শুরু করার আগে বিশেষ করে মধ্যবয়সী বা শারীরিক অসুস্থতায় ভোগা ব্যক্তিদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ব্যায়াম চলাকালে যদি কোনো ধরনের ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অনলাইন ডেক্স 

























