ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:০৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৮ Time View

চুল ত্বকের একটি বিশেষ অংশ। মাথার চুল ঝরে যাওয়ার ফলে টাক পড়া বা চুল পাতলা হওয়ার সমস্যা অনেকের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১০০টির বেশি চুল পড়লে মাথা ফাঁকা হতে শুরু করে।

অল্প বয়সে চুল পড়ার পেছনে তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথমত, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা। পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন ‘ডাই-হাইড্রোটেস্টোস্টেরন’-এ রূপান্তরিত হলে চুলের ফলিকলগুলো ছোট হয়ে যায়, ফলে চুল ঝরে পড়ে। দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অনিদ্রা। পড়ালেখা ও ক্যারিয়ারের জন্য চাপের কারণে ‘টেলোজেন এফ্লুভিয়াম’ নামক জটিলতা সৃষ্টি হয়, যা হঠাৎ করে প্রচুর চুল পড়ার কারণ হতে পারে। তৃতীয়ত, পুষ্টির অভাব ও দূষণ। প্রোটিন, বায়োটিন ও আয়রনের অভাব এবং শহরের ধুলাবালি চুলের গোড়াকে দুর্বল করে দেয়।

চুল পড়া রোধে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। সঠিক শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার নির্বাচন করা জরুরি। সালফেট ও প্যারাবেনমুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এছাড়া, প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ক্যাস্টর অয়েল বা নারকেল তেল ব্যবহার করা যেতে পারে।

পুষ্টির জন্য প্রতিদিনের খাবারে ডিম, মাছ, সোয়াবিন, পালং শাক ও বাদাম অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। ত্বক বিশেষজ্ঞরা ঘরোয়া যত্নে ডার্মারোলার ব্যবহারের পরামর্শ দেন, যা মাথার ত্বকে সূক্ষ্ম ছিদ্র তৈরি করে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়।

ধূমপান পরিহার এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা চুল পড়া রোধে সহায়ক। চিকিৎসকরা রোগীভেদে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা যেমন খাওয়ার ওষুধ, চুল ঝরা বন্ধের লোশন ও আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি যেমন মেসোথেরাপি ও পিআরপি প্রেসক্রাইব করে থাকেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিয়ান কিংবদন্তি সান্দ্রো মাজ্জোলা ৮৩ বছর বয়সে মারা গেলেন

অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার

আপলোড সময় : ০২:০৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুল ত্বকের একটি বিশেষ অংশ। মাথার চুল ঝরে যাওয়ার ফলে টাক পড়া বা চুল পাতলা হওয়ার সমস্যা অনেকের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১০০টির বেশি চুল পড়লে মাথা ফাঁকা হতে শুরু করে।

অল্প বয়সে চুল পড়ার পেছনে তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথমত, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা। পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন ‘ডাই-হাইড্রোটেস্টোস্টেরন’-এ রূপান্তরিত হলে চুলের ফলিকলগুলো ছোট হয়ে যায়, ফলে চুল ঝরে পড়ে। দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অনিদ্রা। পড়ালেখা ও ক্যারিয়ারের জন্য চাপের কারণে ‘টেলোজেন এফ্লুভিয়াম’ নামক জটিলতা সৃষ্টি হয়, যা হঠাৎ করে প্রচুর চুল পড়ার কারণ হতে পারে। তৃতীয়ত, পুষ্টির অভাব ও দূষণ। প্রোটিন, বায়োটিন ও আয়রনের অভাব এবং শহরের ধুলাবালি চুলের গোড়াকে দুর্বল করে দেয়।

চুল পড়া রোধে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। সঠিক শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার নির্বাচন করা জরুরি। সালফেট ও প্যারাবেনমুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এছাড়া, প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ক্যাস্টর অয়েল বা নারকেল তেল ব্যবহার করা যেতে পারে।

পুষ্টির জন্য প্রতিদিনের খাবারে ডিম, মাছ, সোয়াবিন, পালং শাক ও বাদাম অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। ত্বক বিশেষজ্ঞরা ঘরোয়া যত্নে ডার্মারোলার ব্যবহারের পরামর্শ দেন, যা মাথার ত্বকে সূক্ষ্ম ছিদ্র তৈরি করে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়।

ধূমপান পরিহার এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা চুল পড়া রোধে সহায়ক। চিকিৎসকরা রোগীভেদে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা যেমন খাওয়ার ওষুধ, চুল ঝরা বন্ধের লোশন ও আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি যেমন মেসোথেরাপি ও পিআরপি প্রেসক্রাইব করে থাকেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন