ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের প্রথম আইআইটি থেকে ডিজিটাল স্বাস্থ্য: ভারত-ইউএনডিপির সাত দশকের অংশীদারিত্ব

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:০০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০১ Time View

ভারত ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) মধ্যে সাত দশকের অংশীদারিত্বের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে, যা ১৯৫০-এর দশক থেকে শুরু হয়েছে। এই সময়ে ভারত তার বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

১৯৫০ সালে আইআইটি খড়গপুর প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শুরু হয় এই অংশীদারিত্ব, যা পরবর্তীতে আইআইটি বোম্বে প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা ভারতের বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

১৯৬০-এর দশকে, ভারত তেল অনুসন্ধান ও স্যাটেলাইট যোগাযোগের ক্ষেত্রে উন্নতি সাধন করে। ১৯৬৬ সালে অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশন (ONGC) এর প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় সহায়তা প্রদান করা হয়।

১৯৭০-এর দশকে, ইউএনডিপি 'অপারেশন ফ্লাড' কর্মসূচির মাধ্যমে ভারতের দুগ্ধ খাতকে উন্নত করতে সহায়তা করে। গণমাধ্যম ও যোগাযোগ খাতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য পুনের 'ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া'র বিকাশে সহায়তা করা হয়।

১৯৮০-এর দশকে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইউএনডিপির সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। ১৯৯০-এর দশকে, মানব উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়।

এই দীর্ঘ অংশীদারিত্বের মূল লক্ষ্য হলো জনস্বাস্থ্য ও জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করা, যাতে ব্যাপক জনগণের কাছে সুবিধা পৌঁছানো যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতকে ভোট দেওয়ার আফসোস করছেন অনেকেই: মীর শাহে আলম

ভারতের প্রথম আইআইটি থেকে ডিজিটাল স্বাস্থ্য: ভারত-ইউএনডিপির সাত দশকের অংশীদারিত্ব

আপলোড সময় : ০৫:০০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ভারত ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) মধ্যে সাত দশকের অংশীদারিত্বের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে, যা ১৯৫০-এর দশক থেকে শুরু হয়েছে। এই সময়ে ভারত তার বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

১৯৫০ সালে আইআইটি খড়গপুর প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শুরু হয় এই অংশীদারিত্ব, যা পরবর্তীতে আইআইটি বোম্বে প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা ভারতের বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

১৯৬০-এর দশকে, ভারত তেল অনুসন্ধান ও স্যাটেলাইট যোগাযোগের ক্ষেত্রে উন্নতি সাধন করে। ১৯৬৬ সালে অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশন (ONGC) এর প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় সহায়তা প্রদান করা হয়।

১৯৭০-এর দশকে, ইউএনডিপি 'অপারেশন ফ্লাড' কর্মসূচির মাধ্যমে ভারতের দুগ্ধ খাতকে উন্নত করতে সহায়তা করে। গণমাধ্যম ও যোগাযোগ খাতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য পুনের 'ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া'র বিকাশে সহায়তা করা হয়।

১৯৮০-এর দশকে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইউএনডিপির সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। ১৯৯০-এর দশকে, মানব উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়।

এই দীর্ঘ অংশীদারিত্বের মূল লক্ষ্য হলো জনস্বাস্থ্য ও জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করা, যাতে ব্যাপক জনগণের কাছে সুবিধা পৌঁছানো যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন