অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তে ভারত ও চীনের সেনাদের মধ্যে সংঘাত ও মুখোমুখি অবস্থান অব্যাহত রয়েছে। ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) মহাপরিচালক শত্রুজিৎ কাপুর এ তথ্য জানিয়েছেন। সরকারি সূত্রের বরাতে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দ্য হিন্দু এই খবর প্রকাশ করেছে।
সরকারি সূত্র অনুযায়ী, জুলাই মাসের শেষের দিকে অরুণাচলের আপার সুবানসিরি জেলার তাকসিং সার্কেলের আসাফিলা এলাকায় সীমান্ত উত্তেজনা শুরু হয়। চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ভারতীয় সীমান্ত রেখার ধারণা অনুযায়ী প্রায় ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে তাবু গেড়ে অবস্থান নিয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকেও সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
চলতি বছরের জুলাই থেকে ভারতের সভাপতিত্বে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের যোগদান এবং অজিত ডোভাল পর্যায়ের বেশ কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও অচলাবস্থা কাটেনি। আগস্টে ডব্লিউএমসিসি বৈঠক, বিশেষ প্রতিনিধিদের ২৫তম বৈঠক এবং সেপ্টেম্বরের শুরুতে কোর কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
রাজস্থানের আলোয়ারে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত আইটিবিপি প্রধান শত্রুজিৎ কাপুর জানান, সীমান্ত রক্ষায় ঐতিহ্যবাহী অস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন ও অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তির ওপর জোর দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, চীনকে মোকাবিলা করতে পুরোনো কৌশল যথেষ্ট নয়, কারণ তারা আধুনিকীকরণে অনেক এগিয়ে গেছে।
আইটিবিপি মহাপরিচালক আরও জানান, আগামী তিন বছরের মধ্যে চীন সীমান্তে প্রতিটি ফরোয়ার্ড পোস্টের জন্য মাটির নিচে নিরাপদ আশ্রয়স্থল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আধুনিক যুদ্ধকৌশলে মাটির ওপরের যেকোনো স্থাপনা সহজেই লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, তাই মাটির নিচে স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো তৈরিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
অনলাইন ডেক্স 






















