ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দয়াগঞ্জে মাদক ব্যবসা অব্যাহত, ইশরাকের অভিযানের পরও পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৩০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৮ Time View

রাজধানীর দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং থেকে গেণ্ডারিয়া রেলস্টেশন পর্যন্ত রেললাইনের পশ্চিম পাশের ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদক ব্যবসা অব্যাহত রয়েছে। গত রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে অর্ধশত মানুষের আনাগোনা চলছে, যাদের মধ্যে কিশোর, তরুণ, মধ্যবয়সী ও বৃদ্ধরা রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৪ ঘণ্টা প্রকাশ্যে চলে এই মাদক কেনাবেচা, যার মধ্যে গাঁজার আধিক্যই বেশি। গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় তিনি প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করেন, যা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়।

অভিযানের পরও স্থানীয়রা জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের কার্যক্রমে কোনো ভাটা পড়েনি। বরং আগের মতোই অবাধে চলছে কেনাবেচা। গাঁজা প্রতি পুরিয়া ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং খুচরা বিক্রেতারা প্রতিদিন কয়েক হাজার টাকার মাদক বিক্রি করছেন।

এলাকার সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা মাদক ব্যবসায়ীদের কারণে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন। স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের ডাকাডাকিতে অফিস যাতায়াতের সময় তারা বিব্রত হন।

গেণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানান, ওই এলাকায় মাদক কেনাবেচা রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়, তবে জামিনে বেরিয়ে আসা ব্যবসায়ীরা আবার একই কাজে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযানের সময় প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিকরগাছায় নসিমন চাপায় ভাই-বোনের মৃত্যু, আহত ৪

দয়াগঞ্জে মাদক ব্যবসা অব্যাহত, ইশরাকের অভিযানের পরও পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

আপলোড সময় : ০২:৩০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং থেকে গেণ্ডারিয়া রেলস্টেশন পর্যন্ত রেললাইনের পশ্চিম পাশের ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদক ব্যবসা অব্যাহত রয়েছে। গত রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে অর্ধশত মানুষের আনাগোনা চলছে, যাদের মধ্যে কিশোর, তরুণ, মধ্যবয়সী ও বৃদ্ধরা রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৪ ঘণ্টা প্রকাশ্যে চলে এই মাদক কেনাবেচা, যার মধ্যে গাঁজার আধিক্যই বেশি। গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় তিনি প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করেন, যা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়।

অভিযানের পরও স্থানীয়রা জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের কার্যক্রমে কোনো ভাটা পড়েনি। বরং আগের মতোই অবাধে চলছে কেনাবেচা। গাঁজা প্রতি পুরিয়া ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং খুচরা বিক্রেতারা প্রতিদিন কয়েক হাজার টাকার মাদক বিক্রি করছেন।

এলাকার সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা মাদক ব্যবসায়ীদের কারণে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন। স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের ডাকাডাকিতে অফিস যাতায়াতের সময় তারা বিব্রত হন।

গেণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানান, ওই এলাকায় মাদক কেনাবেচা রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়, তবে জামিনে বেরিয়ে আসা ব্যবসায়ীরা আবার একই কাজে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযানের সময় প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন