ঢাকা ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেইমারের ফেরার ম্যাচে সান্তোসের জয়, কৌতিনহোর গোল

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:০০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৪ Time View

ব্রাজিলিয়ান লিগে নেইমার ও গাবিগোলের চমৎকার পারফরম্যান্সে ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও দারুণ জয় তুলে নিয়েছে সান্তোস। খেলায় সমতা ফেরান গাবিগোল, আর গ্যাব্রিয়েল বোন্তেম্পোর ক্রস থেকে জয়সূচক গোলটি করেন ফিলিপে কুতিনহো।

ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিল সান্তোস। লুয়ান পেরেসের ভুল পাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইগর রাবেলোর মাধ্যমে প্রথম বল স্পর্শ করে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন কাস্তিয়ো। এই গোলে গোলরক্ষক দিওগেনেসের ভুল থাকলেও পরবর্তীতে সাভারিনোর দুর্দান্ত শট ঠেকিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেন তিনি।

রক্ষণভাগে রদিনি ছিলেন বেশ নির্ভরযোগ্য, গাবিগোলের গোলটিতে অ্যাসিস্টও আসে তার পা থেকেই। প্রথমার্ধে খানিকটা নড়বড়ে থাকলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন লুকাস ভেরিসিমো, তবে ম্যাচের শেষভাগে বাঁ পায়ের ঊরুর চোটে পড়ে তিনি মাঠ ছাড়েন। তার বদলি হিসেবে অভিষেক ঘটে জোয়াও আলেনকারের, যিনি নিজের কাজ বেশ ভালোভাবেই সামলেছেন।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বোন্তেম্পোই কুতিনহোর সেই জয়সূচক গোলের উৎস তৈরি করে দেন। বদলি হিসেবে নেমে রোলহাইসার উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখালেও ফ্লুমিনেন্সের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফাবিওর কারণে গোল পাননি। অন্যদিকে মাঝমাঠের সুরক্ষা নিশ্চিত করেন গুস্তাভো এনরিকে।

বারিয়াল রক্ষণভাগের চেয়ে আক্রমণে বেশি ভূমিকা রেখেছেন। বাঁ দিক থেকে খেলায় গতি বাড়ান রনি, অন্যদিকে এভারটন গাবিগোলকে একটি দুর্দান্ত পাস দিলেও অতিরিক্ত ড্রিবলিংয়ের কারণে সুযোগ নষ্ট করেন। অলিভা মাঠে নেমে মাঝমাঠে স্থিরতা আনলেও গাবিগোলের বাড়ানো বল থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মাঠে নামেন রাফায়েল গোনজাগা। প্রথমার্ধের ভুল শুধরে বিরতির পর কোচ কুকা যেভাবে দলকে গুছিয়ে নেন, তাতে সান্তোসের জয় ব্যবধান আরও বড় হতে পারত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিকরগাছায় নসিমন চাপায় ভাই-বোনের মৃত্যু, আহত ৪

নেইমারের ফেরার ম্যাচে সান্তোসের জয়, কৌতিনহোর গোল

আপলোড সময় : ০১:০০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাজিলিয়ান লিগে নেইমার ও গাবিগোলের চমৎকার পারফরম্যান্সে ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও দারুণ জয় তুলে নিয়েছে সান্তোস। খেলায় সমতা ফেরান গাবিগোল, আর গ্যাব্রিয়েল বোন্তেম্পোর ক্রস থেকে জয়সূচক গোলটি করেন ফিলিপে কুতিনহো।

ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিল সান্তোস। লুয়ান পেরেসের ভুল পাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইগর রাবেলোর মাধ্যমে প্রথম বল স্পর্শ করে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন কাস্তিয়ো। এই গোলে গোলরক্ষক দিওগেনেসের ভুল থাকলেও পরবর্তীতে সাভারিনোর দুর্দান্ত শট ঠেকিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেন তিনি।

রক্ষণভাগে রদিনি ছিলেন বেশ নির্ভরযোগ্য, গাবিগোলের গোলটিতে অ্যাসিস্টও আসে তার পা থেকেই। প্রথমার্ধে খানিকটা নড়বড়ে থাকলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন লুকাস ভেরিসিমো, তবে ম্যাচের শেষভাগে বাঁ পায়ের ঊরুর চোটে পড়ে তিনি মাঠ ছাড়েন। তার বদলি হিসেবে অভিষেক ঘটে জোয়াও আলেনকারের, যিনি নিজের কাজ বেশ ভালোভাবেই সামলেছেন।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বোন্তেম্পোই কুতিনহোর সেই জয়সূচক গোলের উৎস তৈরি করে দেন। বদলি হিসেবে নেমে রোলহাইসার উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখালেও ফ্লুমিনেন্সের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফাবিওর কারণে গোল পাননি। অন্যদিকে মাঝমাঠের সুরক্ষা নিশ্চিত করেন গুস্তাভো এনরিকে।

বারিয়াল রক্ষণভাগের চেয়ে আক্রমণে বেশি ভূমিকা রেখেছেন। বাঁ দিক থেকে খেলায় গতি বাড়ান রনি, অন্যদিকে এভারটন গাবিগোলকে একটি দুর্দান্ত পাস দিলেও অতিরিক্ত ড্রিবলিংয়ের কারণে সুযোগ নষ্ট করেন। অলিভা মাঠে নেমে মাঝমাঠে স্থিরতা আনলেও গাবিগোলের বাড়ানো বল থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মাঠে নামেন রাফায়েল গোনজাগা। প্রথমার্ধের ভুল শুধরে বিরতির পর কোচ কুকা যেভাবে দলকে গুছিয়ে নেন, তাতে সান্তোসের জয় ব্যবধান আরও বড় হতে পারত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন