ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জার্মানির বিমানবন্দরে যাত্রীর স্যুটকেসে উদ্ধার ৯২টি সাপ ও ৫৫টি টিকটিকি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:০০:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৩ Time View

জার্মানির কোলন বন বিমানবন্দরে এক বিমানযাত্রীর স্যুটকেস থেকে ৯২টি সাপ ও ৫৫টি টিকটিকি উদ্ধার করেছে শুল্ক কর্মকর্তারা। উদ্ধারকৃত সাপগুলোর মধ্যে ৩৭টি বিষধর র‌্যাটেল স্নেক রয়েছে।

৪৫ বছর বয়সী অভিযুক্ত ব্যক্তি মেক্সিকো সিটি থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে কোলন বন বিমানবন্দরে পৌঁছান। তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে শুল্ক কর্মকর্তারা তাকে তল্লাশির জন্য ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরীক্ষায় তার শরীরে কোকেনের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

শুল্ক কর্মকর্তারা তার স্যুটকেস তল্লাশি করে প্লাস্টিকের খাবারের পাত্র, শ্যাম্পুর খালি বোতল এবং প্রসাধনীর কৌটার মধ্যে প্রাণীগুলো লুকিয়ে রাখা দেখতে পান। বিমানবন্দরের শুল্ক কার্যালয়ের মুখপাত্র ইয়েন্স আহলান্ড জানান, এমন চোরাচালানের ঘটনা তারা আগে কখনো দেখেননি।

দীর্ঘ বিমানযাত্রার কারণে কিছু প্রাণী মারা যায়, তবে জীবিত প্রাণীগুলোকে উদ্ধার করে চিকিৎসা ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেন, তিনি একটি ব্রাজিলীয় ব্যক্তির অনুরোধে প্রাণীগুলো ইউরোপে নিয়ে আসছিলেন।

জার্মান সীমান্ত কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তকে বন্যপ্রাণী চোরাচালান ও মাদক সেবনের অপরাধে 'নিরাপত্তাঝুঁকি' হিসেবে চিহ্নিত করে তাকে দেশে ফেরত পাঠায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উচ্ছ্বাস: সাঈদ আল নোমান এমপি

জার্মানির বিমানবন্দরে যাত্রীর স্যুটকেসে উদ্ধার ৯২টি সাপ ও ৫৫টি টিকটিকি

আপলোড সময় : ১২:০০:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

জার্মানির কোলন বন বিমানবন্দরে এক বিমানযাত্রীর স্যুটকেস থেকে ৯২টি সাপ ও ৫৫টি টিকটিকি উদ্ধার করেছে শুল্ক কর্মকর্তারা। উদ্ধারকৃত সাপগুলোর মধ্যে ৩৭টি বিষধর র‌্যাটেল স্নেক রয়েছে।

৪৫ বছর বয়সী অভিযুক্ত ব্যক্তি মেক্সিকো সিটি থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে কোলন বন বিমানবন্দরে পৌঁছান। তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে শুল্ক কর্মকর্তারা তাকে তল্লাশির জন্য ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরীক্ষায় তার শরীরে কোকেনের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

শুল্ক কর্মকর্তারা তার স্যুটকেস তল্লাশি করে প্লাস্টিকের খাবারের পাত্র, শ্যাম্পুর খালি বোতল এবং প্রসাধনীর কৌটার মধ্যে প্রাণীগুলো লুকিয়ে রাখা দেখতে পান। বিমানবন্দরের শুল্ক কার্যালয়ের মুখপাত্র ইয়েন্স আহলান্ড জানান, এমন চোরাচালানের ঘটনা তারা আগে কখনো দেখেননি।

দীর্ঘ বিমানযাত্রার কারণে কিছু প্রাণী মারা যায়, তবে জীবিত প্রাণীগুলোকে উদ্ধার করে চিকিৎসা ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেন, তিনি একটি ব্রাজিলীয় ব্যক্তির অনুরোধে প্রাণীগুলো ইউরোপে নিয়ে আসছিলেন।

জার্মান সীমান্ত কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তকে বন্যপ্রাণী চোরাচালান ও মাদক সেবনের অপরাধে 'নিরাপত্তাঝুঁকি' হিসেবে চিহ্নিত করে তাকে দেশে ফেরত পাঠায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন