ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:২০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৫ Time View

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সংসদ সদস্যের আত্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। তালিকায় জুলাই মাসের ছাত্র আন্দোলনে নিহত সবুজ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামির নামও রয়েছে।

উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি সূত্রে জানা যায়, ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার জন্য ৮৯ জন আবেদন করেন। এর মধ্যে ১১টি স্থানের জন্য ৩২ জনের একটি সুপারিশ তালিকা জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান আকন্দ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদ এই প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব পালন করেছেন।

অভিযোগকারী কয়েকজন আবেদনকারী জানান, তাদের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ও আর্থিক সক্ষমতা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। তারা দাবি করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের পছন্দের ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তালিকায় থাকা মো. সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনে নিহত সবুজ হত্যা মামলার আসামি। তার নাম তালিকায় আসার পর বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সিদ্দিকুর রহমান দাবি করেছেন, তিনি মামলায় অব্যাহতি পেয়েছেন।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. নাঈম হাসান উজ্জল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর জেল-জুলুম, নির্যাতন সহ্য করে অনেক ত্যাগী কর্মী পথে বসে গেছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, অর্থের বিনিময়ে ডিলারশিপ দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান আকন্দ বলেন, ‘প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে আগ্রহী প্রার্থীদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদও স্বচ্ছতার সঙ্গে সুপারিশ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উচ্ছ্বাস: সাঈদ আল নোমান এমপি

শেরপুরে সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে

আপলোড সময় : ০৩:২০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সংসদ সদস্যের আত্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। তালিকায় জুলাই মাসের ছাত্র আন্দোলনে নিহত সবুজ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামির নামও রয়েছে।

উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি সূত্রে জানা যায়, ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার জন্য ৮৯ জন আবেদন করেন। এর মধ্যে ১১টি স্থানের জন্য ৩২ জনের একটি সুপারিশ তালিকা জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান আকন্দ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদ এই প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব পালন করেছেন।

অভিযোগকারী কয়েকজন আবেদনকারী জানান, তাদের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ও আর্থিক সক্ষমতা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। তারা দাবি করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের পছন্দের ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তালিকায় থাকা মো. সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনে নিহত সবুজ হত্যা মামলার আসামি। তার নাম তালিকায় আসার পর বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সিদ্দিকুর রহমান দাবি করেছেন, তিনি মামলায় অব্যাহতি পেয়েছেন।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. নাঈম হাসান উজ্জল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর জেল-জুলুম, নির্যাতন সহ্য করে অনেক ত্যাগী কর্মী পথে বসে গেছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, অর্থের বিনিময়ে ডিলারশিপ দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান আকন্দ বলেন, ‘প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে আগ্রহী প্রার্থীদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদও স্বচ্ছতার সঙ্গে সুপারিশ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন