রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে কিয়েভের হামলা বন্ধ না হলে ইউক্রেনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করা এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র কেনাকাটা স্থগিত করার হুমকি দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সোমবার (১২ অক্টোবর) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও পেন্টাগন থেকে ইউক্রেন ও ইউরোপের কর্মকর্তাদের কাছে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী থেকে সরাসরি ইউক্রেনীয় কমান্ডারদের কাছে পাঠানো বার্তাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস প্রথম এই হুমকির বিষয়টি প্রকাশ করে।
রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে ইউক্রেনীয় হামলার কারণে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য এই সংঘাতকে দায়ী করেছেন এবং উভয় পক্ষকে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘোষিত ‘জ্বালানি যুদ্ধবিরতি’ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির জন্য একটি চমক ছিল বলে জানা গেছে।
ইউরোপীয় কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও অস্ত্র ক্রয় বন্ধ হলে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে রুশ ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থান জানা যায় এবং প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ বন্ধ হলে ইউক্রেনীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে।
এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মধ্যে বাকবিতণ্ডার পর সাময়িকভাবে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ স্থগিত করেছিল মার্কিন প্রশাসন। हाल में মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ডিজেল চুক্তি এবং ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইউক্রেনের নতুন নেতা নির্বাচনের পরামর্শের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়ে উঠেছে।
অনলাইন ডেক্স 
























