ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় তাজমিন হত্যাকাণ্ড: চালক সুমনের জিজ্ঞাসাবাদে নতুন তথ্য

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৫০:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০২ Time View

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৩) হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গ্রেপ্তার চালক মো. সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, বিপদ জেনেও কেন ঘটনাস্থলে সিএনজি অটোরিকশা ফেলে যেতে হলো।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তাজমিন গভীর রাতে কুমিল্লা শহরের বাসায় ফিরতে সিএনজিতে উঠলে সুমন ভিন্ন পরিকল্পনা করেন। তাজমিনের হাতে থাকা আইফোনের প্রতি তার লোভ জাগে। সিএনজিতে ওঠার পর সুমন উল্টো পথে গাড়ি চালাতে শুরু করেন এবং জনমানবহীন এলাকা খুঁজতে থাকেন।

সুমন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সিএনজি চালিয়ে ধানক্ষেতের পাড়ে গিয়ে গাড়িটি থামান। পরে হত্যার পর ঘটনাস্থলে সিএনজি ফেলে পালিয়ে যান। পুলিশ জানিয়েছে, সুমন হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত এবং সে একাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তাজমিন ৪ অক্টোবর বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। তার মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কক্সবাজারে গিয়েছিল। ৭ অক্টোবর কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় নূরজাহান হোটেলের সামনে তাকে একা নামতে দেখা যায়।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাজমিনের হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পুলিশ অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্য: ‘দেশ বিক্রির অভিযোগ অমূলক’

কুমিল্লায় তাজমিন হত্যাকাণ্ড: চালক সুমনের জিজ্ঞাসাবাদে নতুন তথ্য

আপলোড সময় : ১২:৫০:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৩) হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গ্রেপ্তার চালক মো. সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, বিপদ জেনেও কেন ঘটনাস্থলে সিএনজি অটোরিকশা ফেলে যেতে হলো।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তাজমিন গভীর রাতে কুমিল্লা শহরের বাসায় ফিরতে সিএনজিতে উঠলে সুমন ভিন্ন পরিকল্পনা করেন। তাজমিনের হাতে থাকা আইফোনের প্রতি তার লোভ জাগে। সিএনজিতে ওঠার পর সুমন উল্টো পথে গাড়ি চালাতে শুরু করেন এবং জনমানবহীন এলাকা খুঁজতে থাকেন।

সুমন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সিএনজি চালিয়ে ধানক্ষেতের পাড়ে গিয়ে গাড়িটি থামান। পরে হত্যার পর ঘটনাস্থলে সিএনজি ফেলে পালিয়ে যান। পুলিশ জানিয়েছে, সুমন হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত এবং সে একাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তাজমিন ৪ অক্টোবর বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। তার মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কক্সবাজারে গিয়েছিল। ৭ অক্টোবর কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় নূরজাহান হোটেলের সামনে তাকে একা নামতে দেখা যায়।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাজমিনের হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পুলিশ অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন