ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বুয়েটের প্রকৌশলী নায়লা শারাফের শিক্ষকতা বেছে নেওয়ার গল্প

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৩ Time View

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে গ্রাজুয়েশন ও পোস্ট গ্রাজুেশন সম্পন্ন করে নায়লা শারাফ কর্মজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী পদে যোগ দেন। পরে জনতা ব্যাংকে ‘এক্সিকিউটিভ অফিসার’ হিসেবে কাজ করেন, কিন্তু সেখানে স্থায়ী হননি।

বিসিএসের প্রস্তুতি নিয়ে প্রথমবারেই লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও ভাইভায় অংশগ্রহণ করেননি তিনি। বরং নায়লা শারাফ বর্তমানে নেত্রকোনার পঞ্চাননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। তার এই পেশাগত পরিবর্তন অনেকের কাছে ব্যতিক্রমী মনে হচ্ছে।

শিক্ষাজীবনের শুরু রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে। উচ্চশিক্ষা শেষে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরও প্রচলিত ক্যারিয়ার ধারায় স্থায়ী হননি। নায়লা শারাফের মতে, শিক্ষকতা বেছে নেওয়ার বিষয়টি তার ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ও জীবনদর্শনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি বলেন, ‘আমার অর্থের প্রতি কোনো লোভ নেই, খ্যাতির জন্যও কোনো মোহ নেই। আমি সাধারণ জীবন পছন্দ করি এবং দিনশেষে একটা নিশ্চিন্তের, পরিতৃপ্তির ঘুম চাই।’ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নায়লাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিকতা দেখান।

নায়লার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কিছু স্বজন তাকে ‘পাগল’ বলেও অভিহিত করেছেন। তবে নায়লা শারাফের কাছে জীবনের সাফল্য শুধু উচ্চপদ বা আর্থিক স্বচ্ছলতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তিনি শিশুদের শিক্ষা দেওয়ার মধ্যেই খুঁজে পেয়েছেন নিজের তৃপ্তি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :

সৌরভ গাঙ্গুলী আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ হলেন

বুয়েটের প্রকৌশলী নায়লা শারাফের শিক্ষকতা বেছে নেওয়ার গল্প

আপলোড সময় : ০১:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে গ্রাজুয়েশন ও পোস্ট গ্রাজুেশন সম্পন্ন করে নায়লা শারাফ কর্মজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী পদে যোগ দেন। পরে জনতা ব্যাংকে ‘এক্সিকিউটিভ অফিসার’ হিসেবে কাজ করেন, কিন্তু সেখানে স্থায়ী হননি।

বিসিএসের প্রস্তুতি নিয়ে প্রথমবারেই লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও ভাইভায় অংশগ্রহণ করেননি তিনি। বরং নায়লা শারাফ বর্তমানে নেত্রকোনার পঞ্চাননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। তার এই পেশাগত পরিবর্তন অনেকের কাছে ব্যতিক্রমী মনে হচ্ছে।

শিক্ষাজীবনের শুরু রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে। উচ্চশিক্ষা শেষে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরও প্রচলিত ক্যারিয়ার ধারায় স্থায়ী হননি। নায়লা শারাফের মতে, শিক্ষকতা বেছে নেওয়ার বিষয়টি তার ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ও জীবনদর্শনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি বলেন, ‘আমার অর্থের প্রতি কোনো লোভ নেই, খ্যাতির জন্যও কোনো মোহ নেই। আমি সাধারণ জীবন পছন্দ করি এবং দিনশেষে একটা নিশ্চিন্তের, পরিতৃপ্তির ঘুম চাই।’ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নায়লাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিকতা দেখান।

নায়লার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কিছু স্বজন তাকে ‘পাগল’ বলেও অভিহিত করেছেন। তবে নায়লা শারাফের কাছে জীবনের সাফল্য শুধু উচ্চপদ বা আর্থিক স্বচ্ছলতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তিনি শিশুদের শিক্ষা দেওয়ার মধ্যেই খুঁজে পেয়েছেন নিজের তৃপ্তি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন