ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা নয়, শিক্ষা কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিতর্ক

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৭:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০২ Time View

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রাশেদ সরকারের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, সাংবাদিকরা যদি তথ্য চান, তাহলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠাতে হবে। শনিবার (২২ আগস্ট) তিনি এই মন্তব্য করেন, যা পরে ডিলিট করে দেওয়া হয়।

রাশেদ সরকারের পোস্টের পর সাংবাদিকদের বিদ্যালয়ে গিয়ে তথ্য সংগ্রহের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সাংবাদিকদের সরাসরি বিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন বাবদ অর্থের ব্যবহার, মিড-ডে মিল কর্মসূচিতে অনিয়ম এবং শিক্ষকদের অনুপস্থিতি।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা বলেন, বিষয়টি তার নজরে এসেছে এবং সরকারি নির্দেশনার অভাব রয়েছে। তিনি বিষয়টি লিখিতভাবে সরকারের দৃষ্টিতে আনার কথা জানান।

রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম মণ্ডলও একই মত প্রকাশ করেন, তিনি বলেন, এমন কোনো নির্দেশনা নেই।

রাশেদ সরকার তার পোস্টের প্রেক্ষিতে বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে যারা পেশাদার, তারা সাধারণত বিদ্যালয়ে গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করেন না। তবে কিছু সাংবাদিক বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষকদের অপ্রস্তুত অবস্থায় ছবি তোলার অভিযোগ করেন।

স্থানীয় সাংবাদিক ও দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি হরিশ রায় বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সাংবাদিকদের সরেজমিনে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। তিনি সাংবাদিকদের নীতিবিরুদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি নিয়ে ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা নয়, শিক্ষা কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিতর্ক

আপলোড সময় : ০৭:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রাশেদ সরকারের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, সাংবাদিকরা যদি তথ্য চান, তাহলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠাতে হবে। শনিবার (২২ আগস্ট) তিনি এই মন্তব্য করেন, যা পরে ডিলিট করে দেওয়া হয়।

রাশেদ সরকারের পোস্টের পর সাংবাদিকদের বিদ্যালয়ে গিয়ে তথ্য সংগ্রহের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সাংবাদিকদের সরাসরি বিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন বাবদ অর্থের ব্যবহার, মিড-ডে মিল কর্মসূচিতে অনিয়ম এবং শিক্ষকদের অনুপস্থিতি।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা বলেন, বিষয়টি তার নজরে এসেছে এবং সরকারি নির্দেশনার অভাব রয়েছে। তিনি বিষয়টি লিখিতভাবে সরকারের দৃষ্টিতে আনার কথা জানান।

রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম মণ্ডলও একই মত প্রকাশ করেন, তিনি বলেন, এমন কোনো নির্দেশনা নেই।

রাশেদ সরকার তার পোস্টের প্রেক্ষিতে বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে যারা পেশাদার, তারা সাধারণত বিদ্যালয়ে গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করেন না। তবে কিছু সাংবাদিক বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষকদের অপ্রস্তুত অবস্থায় ছবি তোলার অভিযোগ করেন।

স্থানীয় সাংবাদিক ও দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি হরিশ রায় বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সাংবাদিকদের সরেজমিনে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। তিনি সাংবাদিকদের নীতিবিরুদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন