ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে মাদক কারবারির সঙ্গে ৬ পুলিশ সদস্যের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:২৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ২২৮ Time View

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার আয়নাতলী এলাকায় এক চিহ্নিত মাদক কারবারির মোবাইল ফোনে ছয় পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথোপকথন ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা পুলিশ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে সাত কর্মদিবস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) কচুয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল হাই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আটককৃত মাদক কারবারির নাম মিজানুর রহমান, যার বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা রয়েছে, এর মধ্যে সাতটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি আয়োজিত একটি ফুটবল টুর্নামেন্টে মিজানুর রহমানকে অতিথি করা হয়, যা এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি করে। স্থানীয়রা তাকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান এবং তার মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের তথ্য পান। এসব তথ্য পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৮ জুলাই মিজানুর রহমানকে আটক করা হয়। তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে আর জড়িত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমা চান। ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে তার কথোপকথনে অর্থ লেনদেনের বিষয়ও উঠে এসেছে।

এদিকে, পুলিশ সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এএসআই শহিদুল্লাহ দাবি করেন, তাকে রাজনৈতিক কারণে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। অন্য পুলিশ সদস্যরাও তদন্তের অপেক্ষায় রয়েছেন এবং এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পেয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্ক টাইমসের কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা, শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রেপ্তার

চাঁদপুরে মাদক কারবারির সঙ্গে ৬ পুলিশ সদস্যের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৩:২৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার আয়নাতলী এলাকায় এক চিহ্নিত মাদক কারবারির মোবাইল ফোনে ছয় পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথোপকথন ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা পুলিশ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে সাত কর্মদিবস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) কচুয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল হাই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আটককৃত মাদক কারবারির নাম মিজানুর রহমান, যার বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা রয়েছে, এর মধ্যে সাতটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি আয়োজিত একটি ফুটবল টুর্নামেন্টে মিজানুর রহমানকে অতিথি করা হয়, যা এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি করে। স্থানীয়রা তাকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান এবং তার মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের তথ্য পান। এসব তথ্য পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৮ জুলাই মিজানুর রহমানকে আটক করা হয়। তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে আর জড়িত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমা চান। ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে তার কথোপকথনে অর্থ লেনদেনের বিষয়ও উঠে এসেছে।

এদিকে, পুলিশ সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এএসআই শহিদুল্লাহ দাবি করেন, তাকে রাজনৈতিক কারণে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। অন্য পুলিশ সদস্যরাও তদন্তের অপেক্ষায় রয়েছেন এবং এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পেয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন