ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রচণ্ড গরমে বাংলাদেশের আর্থিক ক্ষতি ১.৮ বিলিয়ন ডলার: বিশ্বব্যাংক

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৬:১০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২০৪ Time View

বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত গরমের কারণে শ্রম উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ায় ২০২৪ সালে বাংলাদেশের আনুমানিক ১ দশমিক ৩ থেকে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় দশমিক ৩ থেকে দশমিক ৪ শতাংশের সমান।

প্রতিবেদনটি ‘আ লিভেবল ফিউচার: প্রোটেকটিং জবস অ্যান্ড গ্রোথ ফ্রম এক্সট্রিম হিট ইন সাউথ এশিয়াস সিটিজ’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, দিনের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার হলেই এই ক্ষতির পরিমাণ দ্রুত বেড়ে যায়।

ঢাকায় প্রচণ্ড গরমের কারণে বছরে প্রায় ৩ শতাংশ কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, যা প্রতি বছর প্রায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার পূর্ণকালীন চাকরি হারানোর সমতুল্য। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০৮০ সালের মধ্যে ঢাকায় ক্ষতির পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, গরমের কারণে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতও ঝুঁকির মুখে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গরম নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের পোশাক খাতকে প্রায় ৬৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় হারাতে হতে পারে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সঠিক অর্থায়নের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি পরিবর্তন সম্ভব। পোশাক কারখানায় বিদ্যুৎ ও পানি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি বসানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা পুরো খাতের রূপান্তরে সহায়ক হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচিত

প্রচণ্ড গরমে বাংলাদেশের আর্থিক ক্ষতি ১.৮ বিলিয়ন ডলার: বিশ্বব্যাংক

আপলোড সময় : ০৬:১০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত গরমের কারণে শ্রম উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ায় ২০২৪ সালে বাংলাদেশের আনুমানিক ১ দশমিক ৩ থেকে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় দশমিক ৩ থেকে দশমিক ৪ শতাংশের সমান।

প্রতিবেদনটি ‘আ লিভেবল ফিউচার: প্রোটেকটিং জবস অ্যান্ড গ্রোথ ফ্রম এক্সট্রিম হিট ইন সাউথ এশিয়াস সিটিজ’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, দিনের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার হলেই এই ক্ষতির পরিমাণ দ্রুত বেড়ে যায়।

ঢাকায় প্রচণ্ড গরমের কারণে বছরে প্রায় ৩ শতাংশ কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, যা প্রতি বছর প্রায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার পূর্ণকালীন চাকরি হারানোর সমতুল্য। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০৮০ সালের মধ্যে ঢাকায় ক্ষতির পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, গরমের কারণে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতও ঝুঁকির মুখে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গরম নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের পোশাক খাতকে প্রায় ৬৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় হারাতে হতে পারে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সঠিক অর্থায়নের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি পরিবর্তন সম্ভব। পোশাক কারখানায় বিদ্যুৎ ও পানি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি বসানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা পুরো খাতের রূপান্তরে সহায়ক হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন