ডিমকে পৃথিবীর অন্যতম পুষ্টিকর খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে অনেকেই ডিমের কুসুম এড়িয়ে চলেন। আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভীতি কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
একটি ডিমের কুসুমে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে, যেখানে একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক কোলেস্টেরল গ্রহণের পরিমাণ ৩০০ মিলিগ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয় আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবারের কোলেস্টেরল সরাসরি রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা নির্ধারণ করে না।
পুষ্টিবিদ শালিনী সুধাকরের মতে, ডিমের মতো খাবারের প্রাকৃতিক কোলেস্টেরল অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে রক্তের কোলেস্টেরল বাড়ায় না। গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তের কোলেস্টেরল বৃদ্ধিতে ‘স্যাচুরেটেড ফ্যাট’ বা সম্পৃক্ত চর্বির প্রভাব অনেক বেশি। তাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের জন্য সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার এড়ানো বেশি কার্যকর।
ডিমের কুসুমে ভিটামিন ও খনিজের বিশাল ভাণ্ডার রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। কুসুম পুরোপুরি বাদ দিলে শরীর এই প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলো থেকে বঞ্চিত হয়।
পুষ্টিবিদ শালিনী সুধাকরের পরামর্শ অনুযায়ী, উচ্চ কোলেস্টেরল থাকলেও ডিম সম্পূর্ণ এড়ানোর প্রয়োজন নেই। বরং কুসুম খাওয়ার পরিমাণ সীমিত রেখে এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
অনলাইন ডেক্স 
























