ওজন কমাতে অনেকেই কিটোজেনিক ডায়েট বেছে নিচ্ছেন। এই খাদ্য পরিকল্পনায় শর্করা কম এবং চর্বি বেশি থাকে, যা শরীরের সঞ্চিত চর্বি ক্ষয় করে অতিরিক্ত ওজন কমাতে সহায়ক। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য এটি উপকারী হতে পারে।
কিটোজেনিক ডায়েটের ধরন অনুযায়ী, দৈনিক ক্যালোরির ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ফ্যাট, ২০ থেকে ২৫ শতাংশ প্রোটিন এবং ৫ থেকে ১০ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করতে হয়। এই ডায়েটের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড, সাইক্লিক্যাল, টার্গেটেড এবং হাইপ্রোটিন ডায়েট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
শরীরের শর্করার পরিমাণ কমে গেলে গ্লুকোজের বদলে ফ্যাট পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদন হয়, যা কেটোসিস নামে পরিচিত। সাধারণত, কিটো ডায়েট দুই থেকে তিন মাসের জন্য নিরাপদ বলে মনে করা হয়।
কিটোজেনিক ডায়েটে চিনি এবং উচ্চ শর্করাজাতীয় খাবার বাদ দিতে হয়। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রাণিজ আমিষ এবং কম কার্বযুক্ত শাকসবজি খাওয়া যায়। কিছু ফলও সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করা যেতে পারে।
কিটো ডায়েটের সুবিধা হলো এটি দ্রুত ওজন কমাতে সহায়ক। তবে, প্রাথমিক পর্যায়ে মাথা ব্যথা, ক্লান্তি এবং মুখের দুর্গন্ধের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী অনুসরণে পুষ্টির অভাব ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
কিটো ডায়েট বেশি দিন চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়। লক্ষ্য অর্জনের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসে ফিরে আসা উচিত। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
অনলাইন ডেক্স 
























