সকালের নাস্তায় ডিমের উপস্থিতি অনেকের জন্য অপরিহার্য। তবে ডিম খাওয়ার পরিমাণ নিয়ে রয়েছে বিভিন্ন মতামত। আধুনিক বিজ্ঞান ও পুষ্টিবিদদের মতে, ডিম একটি পুষ্টিকর খাবার, যা প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি বড় ডিমে ৬-৭ গ্রাম উচ্চমানের প্রোটিন থাকে, যা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নয়টি গুরুত্বপূর্ণ অ্যামিনো অ্যাসিড ধারণ করে। এছাড়া এতে ভিটামিন এ, ডি, ই, বি১২, সেলেনিয়াম এবং কোলিন রয়েছে। বিশেষ করে কোলিন এবং অন্যান্য উপাদান মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ও চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়তা করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, একজন সুস্থ মানুষ সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার প্রতিদিন একটি করে আস্ত ডিম খেতে পারেন। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণা অনুযায়ী, হৃদরোগের ঝুঁকি নেই এমন ব্যক্তিদের জন্য প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যকর হতে পারে।
শিশুদের জন্য প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক। তবে যাদের হৃদরোগ বা উচ্চমাত্রার ‘এলডিএল’ রয়েছে, তাদের ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ডিমের কুসুমে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলো থাকে, তাই আস্ত ডিম খাওয়াই বেশি উপকারী। রান্নার পদ্ধতি ও খাবারের সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ডিম খাওয়া ঠিক নয়, এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাসই সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি।
অনলাইন ডেক্স 
























