ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রশাসনের উদ্যোগে দেশে ফিরলেন মালয়েশিয়ায় আটকে পড়া যুবক রাসেল সিকদার

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৮:০৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ২০৪ Time View

মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ ১৬০ দিন অন্ধকার জীবন কাটানোর পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার রাসেল সিকদার দেশে ফিরেছেন। পরিবার ও উপজেলা প্রশাসনের প্রচেষ্টায় তিনি সুস্থ অবস্থায় নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাসেল ১০ বছর আগে মালয়েশিয়ায় গিয়ে একটি কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন। তবে পরে তিনি অবৈধভাবে কাজ করতে বাধ্য হন। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নবায়নের জন্য আবেদন করলেও তা পাননি।

একদিন কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে রাসেল সিঙ্গাপুর সীমান্ত অতিক্রম করে সেখানে আটক হন। নথিপত্র না থাকায় তাকে ৮০ দিনের কারাদণ্ড এবং পরে ৮০ দিন ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়।

রাসেলের পরিবার এক বছর ধরে তার কোনো খবর না পেয়ে হতাশায় দিন কাটাচ্ছিল। তবে ১৬ জুলাই বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে যোগাযোগ আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দ্রুত ব্যবস্থা নেন।

২৪ জুলাই রাতে রাসেল দেশে ফিরে আসেন এবং পরদিন সকালে মির্জাপুরে তার পরিবারের কাছে পৌঁছান। তার মা বলেন, "আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমার কোল আবার ভইরা দিছে!"

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব জানান, রাসেলের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে তার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়। ভবিষ্যতে বৈধ পথে বিদেশ যেতে চাইলে তাকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচিত

প্রশাসনের উদ্যোগে দেশে ফিরলেন মালয়েশিয়ায় আটকে পড়া যুবক রাসেল সিকদার

আপলোড সময় : ০৮:০৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ ১৬০ দিন অন্ধকার জীবন কাটানোর পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার রাসেল সিকদার দেশে ফিরেছেন। পরিবার ও উপজেলা প্রশাসনের প্রচেষ্টায় তিনি সুস্থ অবস্থায় নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাসেল ১০ বছর আগে মালয়েশিয়ায় গিয়ে একটি কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন। তবে পরে তিনি অবৈধভাবে কাজ করতে বাধ্য হন। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নবায়নের জন্য আবেদন করলেও তা পাননি।

একদিন কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে রাসেল সিঙ্গাপুর সীমান্ত অতিক্রম করে সেখানে আটক হন। নথিপত্র না থাকায় তাকে ৮০ দিনের কারাদণ্ড এবং পরে ৮০ দিন ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়।

রাসেলের পরিবার এক বছর ধরে তার কোনো খবর না পেয়ে হতাশায় দিন কাটাচ্ছিল। তবে ১৬ জুলাই বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে যোগাযোগ আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দ্রুত ব্যবস্থা নেন।

২৪ জুলাই রাতে রাসেল দেশে ফিরে আসেন এবং পরদিন সকালে মির্জাপুরে তার পরিবারের কাছে পৌঁছান। তার মা বলেন, "আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমার কোল আবার ভইরা দিছে!"

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব জানান, রাসেলের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে তার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়। ভবিষ্যতে বৈধ পথে বিদেশ যেতে চাইলে তাকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন