ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপ খনন কাজ শুরু

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ২০৪ Time View

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বড় চারিগাঁও এলাকায় নতুন একটি গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। খনন ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে প্রতিদিন প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গত মঙ্গলবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে খনন কাজ শুরু হয়। বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে পুরোদমে চলছে খনন কার্যক্রম। প্রকল্পটির নাম ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্প’ রাখা হয়েছে।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, কূপটি মাটির নিচে ১ হাজার ৫৫০ মিটার পর্যন্ত খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৬১ মিটার এবং ১ হাজার ৪৫০ মিটার গভীরতায় দুটি পৃথক জোনে প্রাকৃতিক গ্যাসের সম্ভাবনা রয়েছে। খননকাজ ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি (MWD) মেথড ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছে।

সুন্দলপুর-৪ প্রকল্পের ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান জানান, ৪৫ দিনের মধ্যে খনন কাজ এবং পরবর্তী ১৫ দিনের ডিএসটি টেস্ট শেষে কূপটিতে মজুত গ্যাসের পরিমাণ জানা যাবে।

নোয়াখালীর এ অঞ্চলে ১৯৭৬ সালে প্রথম গ্যাস কূপের সন্ধান পাওয়া যায়। ২০১৩ সালে তৃতীয় কূপের সন্ধান পাওয়া গেলে সেখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়। বর্তমানে সুন্দলপুর-২ কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচিত

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপ খনন কাজ শুরু

আপলোড সময় : ০৪:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বড় চারিগাঁও এলাকায় নতুন একটি গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। খনন ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে প্রতিদিন প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গত মঙ্গলবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে খনন কাজ শুরু হয়। বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে পুরোদমে চলছে খনন কার্যক্রম। প্রকল্পটির নাম ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্প’ রাখা হয়েছে।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, কূপটি মাটির নিচে ১ হাজার ৫৫০ মিটার পর্যন্ত খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৬১ মিটার এবং ১ হাজার ৪৫০ মিটার গভীরতায় দুটি পৃথক জোনে প্রাকৃতিক গ্যাসের সম্ভাবনা রয়েছে। খননকাজ ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি (MWD) মেথড ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছে।

সুন্দলপুর-৪ প্রকল্পের ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান জানান, ৪৫ দিনের মধ্যে খনন কাজ এবং পরবর্তী ১৫ দিনের ডিএসটি টেস্ট শেষে কূপটিতে মজুত গ্যাসের পরিমাণ জানা যাবে।

নোয়াখালীর এ অঞ্চলে ১৯৭৬ সালে প্রথম গ্যাস কূপের সন্ধান পাওয়া যায়। ২০১৩ সালে তৃতীয় কূপের সন্ধান পাওয়া গেলে সেখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়। বর্তমানে সুন্দলপুর-২ কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন