ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪৫ বছর পর মেজর মোজাফফরের গ্রেপ্তার: তদন্তের নতুন তথ্য

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:০০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ২০২ Time View

দীর্ঘ ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোহাম্মদ মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের পেছনে মোবাইল ফোনের ফরেনসিক বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা জানায়, সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর মোবাইল ফোনের কল ডিটেইল রেকর্ড বিশ্লেষণ করে সন্দেহজনক নম্বর শনাক্ত করা হয়। ২০২৩ সাল থেকে বনানী ও মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে একাধিক মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে মোজাফফরের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছিল।

পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো নম্বরগুলো প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। এরপর গোয়েন্দা পুলিশ মোজাফফরের অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযান চালায়। গ্রেপ্তারের পর তার পরিচয় নিশ্চিত করে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনকে জানানো হয়।

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, মোজাফফর বেশিরভাগ সময় প্রতিবেশী দেশে অবস্থান করেছিলেন এবং সেখানে ভিন্ন নামে পরিচয়পত্র তৈরি করেছিলেন। তিনি দেশে ফিরে এসে বনানীর বাসায় অবস্থান করছিলেন, যা তার শ্বশুরবাড়ি।

১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের সময় মোজাফফর ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি হত্যার সময় জিয়ার কাছাকাছি ছিলেন। তবে তার ভারতে অবস্থান ও পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মেসির নতুন রেকর্ড: তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে শুরুর একাদশে

৪৫ বছর পর মেজর মোজাফফরের গ্রেপ্তার: তদন্তের নতুন তথ্য

আপলোড সময় : ০৪:০০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোহাম্মদ মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের পেছনে মোবাইল ফোনের ফরেনসিক বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা জানায়, সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর মোবাইল ফোনের কল ডিটেইল রেকর্ড বিশ্লেষণ করে সন্দেহজনক নম্বর শনাক্ত করা হয়। ২০২৩ সাল থেকে বনানী ও মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে একাধিক মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে মোজাফফরের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছিল।

পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো নম্বরগুলো প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। এরপর গোয়েন্দা পুলিশ মোজাফফরের অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযান চালায়। গ্রেপ্তারের পর তার পরিচয় নিশ্চিত করে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনকে জানানো হয়।

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, মোজাফফর বেশিরভাগ সময় প্রতিবেশী দেশে অবস্থান করেছিলেন এবং সেখানে ভিন্ন নামে পরিচয়পত্র তৈরি করেছিলেন। তিনি দেশে ফিরে এসে বনানীর বাসায় অবস্থান করছিলেন, যা তার শ্বশুরবাড়ি।

১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের সময় মোজাফফর ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি হত্যার সময় জিয়ার কাছাকাছি ছিলেন। তবে তার ভারতে অবস্থান ও পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন