ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিশর কোচের ‘এক্স’ সংকেত: ফুটবলে বৈষম্যের বিরুদ্ধে নতুন উদ্যোগ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:২৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ২৪০ Time View

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচের পর মিশর কোচ হোসাম হাসানের হাতের ‘এক্স’ আকৃতির সংকেত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আর্জেন্টিনা ৩-২ গোলে জয়ী হলেও, এই সংকেতের অর্থ জানতে আগ্রহী হয়েছেন অনেক দর্শক।

হোসাম হাসান ম্যাচ চলাকালে দুই হাতের কবজি ক্রস করে ‘এক্স’ আকৃতি তৈরি করেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি ফিফার স্বীকৃত একটি বিশেষ সংকেত, যা মাঠে সম্ভাব্য বর্ণবাদ বা বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

২০২৪ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ফিফার ৭৪তম কংগ্রেসে এই সংকেত ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য হলো, মাঠে বৈষম্যমূলক পরিস্থিতি দ্রুত নজরে আনা এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া।

হোসাম হাসান দাবি করেছেন, গোল উদযাপনের সময় বর্ণবাদী কটূক্তির ঘটনা ঘটেছিল, যার প্রতিবাদ জানাতেই তিনি এই সংকেত ব্যবহার করেন। তবে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি এবং ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারি খেলা বন্ধ করেননি।

মিশরের কোচের এই পদক্ষেপ বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে আলোচিত একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে। ফুটবল মহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে, বর্ণবাদ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ফিফার এই নতুন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে এবং সংকেত ব্যবহারের সঠিক সময় ও পদ্ধতি কী হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় অপ্রতিম হত্যা: কিশোর গ্যাং ‘কেবিজি’র সদস্য গ্রেপ্তার

মিশর কোচের ‘এক্স’ সংকেত: ফুটবলে বৈষম্যের বিরুদ্ধে নতুন উদ্যোগ

আপলোড সময় : ০৫:২৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচের পর মিশর কোচ হোসাম হাসানের হাতের ‘এক্স’ আকৃতির সংকেত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আর্জেন্টিনা ৩-২ গোলে জয়ী হলেও, এই সংকেতের অর্থ জানতে আগ্রহী হয়েছেন অনেক দর্শক।

হোসাম হাসান ম্যাচ চলাকালে দুই হাতের কবজি ক্রস করে ‘এক্স’ আকৃতি তৈরি করেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি ফিফার স্বীকৃত একটি বিশেষ সংকেত, যা মাঠে সম্ভাব্য বর্ণবাদ বা বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

২০২৪ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ফিফার ৭৪তম কংগ্রেসে এই সংকেত ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য হলো, মাঠে বৈষম্যমূলক পরিস্থিতি দ্রুত নজরে আনা এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া।

হোসাম হাসান দাবি করেছেন, গোল উদযাপনের সময় বর্ণবাদী কটূক্তির ঘটনা ঘটেছিল, যার প্রতিবাদ জানাতেই তিনি এই সংকেত ব্যবহার করেন। তবে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি এবং ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারি খেলা বন্ধ করেননি।

মিশরের কোচের এই পদক্ষেপ বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে আলোচিত একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে। ফুটবল মহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে, বর্ণবাদ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ফিফার এই নতুন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে এবং সংকেত ব্যবহারের সঠিক সময় ও পদ্ধতি কী হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন