ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরগুনার মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকসেবনের অভিযোগে কারাদণ্ড

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:০৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৫ Time View

বরগুনার মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল রুবেল হোসেনকে মাদকসেবনের দায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বেতাগী উপজেলার চান্দখালী এলাকা থেকে আটক হওয়ার পর সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তার ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়।

আটকের পর রুবেল হোসেনকে বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তার শরীরে মাদক শনাক্ত হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ দণ্ডাদেশ দেন। রুবেল বরগুনা সদর উপজেলার ৪ নম্বর কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক এলাকার হামিদ মৃধার ছেলে। তিনি বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক কারবারিদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল এবং রোববার তার ঢাকা থেকে ইয়াবার একটি চালান নিয়ে বরগুনায় আসার তথ্য পেয়ে চেকপোস্ট বসানো হয়। রুবেল পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়, তবে তার সঙ্গে থাকা একটি ছোট ব্যাগ পাওয়া যায়নি।

বরগুনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হামিমুর রশিদ জানান, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার তথ্য ছিল। আটক হওয়ার পর তিনি ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করেছেন। অধিদপ্তর রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

বরগুনার মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকসেবনের অভিযোগে কারাদণ্ড

আপলোড সময় : ১১:০৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বরগুনার মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল রুবেল হোসেনকে মাদকসেবনের দায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বেতাগী উপজেলার চান্দখালী এলাকা থেকে আটক হওয়ার পর সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তার ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়।

আটকের পর রুবেল হোসেনকে বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তার শরীরে মাদক শনাক্ত হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ দণ্ডাদেশ দেন। রুবেল বরগুনা সদর উপজেলার ৪ নম্বর কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক এলাকার হামিদ মৃধার ছেলে। তিনি বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক কারবারিদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল এবং রোববার তার ঢাকা থেকে ইয়াবার একটি চালান নিয়ে বরগুনায় আসার তথ্য পেয়ে চেকপোস্ট বসানো হয়। রুবেল পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়, তবে তার সঙ্গে থাকা একটি ছোট ব্যাগ পাওয়া যায়নি।

বরগুনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হামিমুর রশিদ জানান, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার তথ্য ছিল। আটক হওয়ার পর তিনি ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করেছেন। অধিদপ্তর রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন