মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি+) নিয়ে পাকিস্তান অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির জাতীয় পরিষদের অর্থবিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ নাভিদ কামার। মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন। তবে সরকার এ বিষয়ে কোনো ঝুঁকি নেই বলে আশ্বস্ত করেছে।
স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করার সময় নাভিদ কামার বলেন, ‘আমরা এমন কিছু সংকেত পাচ্ছি, যাতে বোঝা যাচ্ছে মানবাধিকার ইস্যুর কারণে জিএসপি+ মর্যাদা অনিশ্চয়তার মুখে রয়েছে।’ তিনি ইইউর নেতিবাচক সিদ্ধান্তের কারণ হতে পারে এমন নির্দিষ্ট উদ্বেগের বিষয়গুলো উল্লেখ করেননি।
জেনারালাইজড স্কিম অব প্রেফারেন্সেস প্লাস (জিএসপি+) নিয়ে সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনা, বিচারব্যবস্থার দুর্বল হয়ে পড়া এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। এই বাণিজ্য সুবিধার মেয়াদ ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
অর্থ ও রাজস্ববিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বিলাল কায়ানি জানিয়েছেন, ২০২৯ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন প্রকল্পের আওতায় যোগ্যতা অর্জনের জন্য উপপ্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি আবেদন প্রস্তুত করছে। পাকিস্তান ২০২৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৭৫০ কোটি ইউরোর পণ্য রপ্তানি করেছে।
ইইউর পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানকে জোরপূর্বক গুম এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘনের নেতিবাচক প্রবণতা উল্টে দিতে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে। ২০২৭ সাল থেকে কার্যকর হতে যাওয়া সংশোধিত জিএসপি বিধিমালার পরিপ্রেক্ষিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 
























