জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও চারটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) উপপরিচালক মাহদী আহমদ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মাহদী আহমদ জানান, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার পর বিটিআরসির তৎকালীন মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজার রহমান তাকে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করেন। ওই সময় পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে থ্রিজি ও ফোরজি নেটওয়ার্ক বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে পলক এ নির্দেশনা দেন।
সাক্ষী হিসেবে মাহদী আহমদ বলেন, তৎকালীন মহাপরিচালক মোবাইল অপারেটরগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা পাঠান। পরে ১৬ জুলাই দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও চারটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একইভাবে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৬ জুলাই একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অনলাইনে অংশ নেন সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলক। সভায় ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়ে নথিতে অনুমোদন নেওয়া হয়। ২৮ জুলাই পলকের সভাপতিত্বে আরেকটি সভা হয়, যেখানে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মাহদী আহমদ জানান, ৩১ জুলাই পলক ফেসবুক, টিকটক, আকামাই ও বাইসানের ক্যাশ সার্ভার চালুর নির্দেশ দেন। তিনি উল্লেখ করেন, গণ-অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মামলায় সাক্ষ্য দিচ্ছেন।
অনলাইন ডেক্স 
























