ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিটিআরসি কর্মকর্তার জবানবন্দিতে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশনার তথ্য

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১০:২২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০২ Time View

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) উপপরিচালক মাহদী আহমদ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারনেট ও ফোরজি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার নির্দেশনা তৎকালীন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের কাছ থেকে এসেছিল।

মাহদী আহমদ জানান, ১৫ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার পর বিটিআরসির তৎকালীন মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজার রহমান তাকে ফোন করে জানান যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে পলক বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন। নির্দেশনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে থ্রিজি ও ফোরজি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার কথা বলা হয়।

পরদিন সকালে সাময়িকভাবে নেটওয়ার্ক চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৬ জুলাই, একই ধরনের নির্দেশনা আসে সব পাবলিক ও চারটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। মাহদী আহমদ বলেন, ওই দিন সন্ধ্যায় বিটিআরসিতে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়, যেখানে সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলক অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়ে মাহদী আহমদ জানান, তিনি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানেন না, তবে ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত একটি সভায় মোবাইল ইন্টারনেট চালুর নির্দেশনার বিষয়ে অবহিত হন। ওই সভায় পলকের সভাপতিত্বে চারটি মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্ক চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।

মাহদী আহমদ আরও জানান, একই সভায় বিটিআরসিকে ফেসবুক, টিকটক, আকামাই ও বাইসানের ক্যাশ সার্ভার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়, পরে ৩১ জুলাই পলক এসব সার্ভার আবার চালুর নির্দেশ দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসক হাসপাতালে অসুস্থ ছাত্রদল নেতার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন

বিটিআরসি কর্মকর্তার জবানবন্দিতে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশনার তথ্য

আপলোড সময় : ১০:২২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) উপপরিচালক মাহদী আহমদ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারনেট ও ফোরজি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার নির্দেশনা তৎকালীন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের কাছ থেকে এসেছিল।

মাহদী আহমদ জানান, ১৫ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার পর বিটিআরসির তৎকালীন মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজার রহমান তাকে ফোন করে জানান যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে পলক বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন। নির্দেশনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে থ্রিজি ও ফোরজি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার কথা বলা হয়।

পরদিন সকালে সাময়িকভাবে নেটওয়ার্ক চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৬ জুলাই, একই ধরনের নির্দেশনা আসে সব পাবলিক ও চারটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। মাহদী আহমদ বলেন, ওই দিন সন্ধ্যায় বিটিআরসিতে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়, যেখানে সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলক অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়ে মাহদী আহমদ জানান, তিনি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানেন না, তবে ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত একটি সভায় মোবাইল ইন্টারনেট চালুর নির্দেশনার বিষয়ে অবহিত হন। ওই সভায় পলকের সভাপতিত্বে চারটি মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্ক চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।

মাহদী আহমদ আরও জানান, একই সভায় বিটিআরসিকে ফেসবুক, টিকটক, আকামাই ও বাইসানের ক্যাশ সার্ভার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়, পরে ৩১ জুলাই পলক এসব সার্ভার আবার চালুর নির্দেশ দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন