ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অতিবৃষ্টিতে রেললাইন ডুবে চবির শাটল ট্রেন আটকে, শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:২৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৭ Time View

অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের ষোলশহর রেলস্টেশনে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আটকে রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দুটি শাটল ট্রেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা এই পরিস্থিতির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

ষোলশহর স্টেশনমাস্টার মো. মাঈন উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম বটতলা রেলস্টেশন থেকে সকাল ৭টা ১৫ মিনিট ও ৭টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে আসা শাটল ট্রেন দুটি ষোলশহর স্টেশনে এসে আটকে যায়। রেললাইনের ওপর বর্তমানে প্রায় ৮ ইঞ্চি পানি রয়েছে, যা না কমা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

দীর্ঘ সময় ট্রেন দুটি আটকে থাকার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থী স্টেশন ছেড়ে চলে গেছেন। তবে কিছু শিক্ষার্থী এখনো ট্রেনের ভেতরে অবস্থান করছেন বলে জানান স্টেশনমাস্টার।

শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, শাটল ট্রেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রধান যাতায়াতের মাধ্যম হলেও ট্রেন বন্ধ থাকায় বিকল্প বাসের ব্যবস্থা করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান থাকায় এই পরিস্থিতি তাদের জন্য আরও দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।

চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল সালমান বলেন, শাটল ট্রেন বন্ধ থাকলে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখা উচিত। শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম শাটল ট্রেন, যা বন্ধ থাকলে বিকল্প পরিবহনে সব শিক্ষার্থীর পক্ষে ক্যাম্পাসে আসা সম্ভব নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অতিবৃষ্টিতে রেললাইন ডুবে চবির শাটল ট্রেন আটকে, শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে

আপলোড সময় : ০২:২৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের ষোলশহর রেলস্টেশনে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আটকে রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দুটি শাটল ট্রেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা এই পরিস্থিতির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

ষোলশহর স্টেশনমাস্টার মো. মাঈন উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম বটতলা রেলস্টেশন থেকে সকাল ৭টা ১৫ মিনিট ও ৭টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে আসা শাটল ট্রেন দুটি ষোলশহর স্টেশনে এসে আটকে যায়। রেললাইনের ওপর বর্তমানে প্রায় ৮ ইঞ্চি পানি রয়েছে, যা না কমা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

দীর্ঘ সময় ট্রেন দুটি আটকে থাকার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থী স্টেশন ছেড়ে চলে গেছেন। তবে কিছু শিক্ষার্থী এখনো ট্রেনের ভেতরে অবস্থান করছেন বলে জানান স্টেশনমাস্টার।

শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, শাটল ট্রেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রধান যাতায়াতের মাধ্যম হলেও ট্রেন বন্ধ থাকায় বিকল্প বাসের ব্যবস্থা করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান থাকায় এই পরিস্থিতি তাদের জন্য আরও দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।

চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল সালমান বলেন, শাটল ট্রেন বন্ধ থাকলে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখা উচিত। শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম শাটল ট্রেন, যা বন্ধ থাকলে বিকল্প পরিবহনে সব শিক্ষার্থীর পক্ষে ক্যাম্পাসে আসা সম্ভব নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন