ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ অংশ বর্তমানে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে মহাসড়কের প্রায় ১৪ কিলোমিটারজুড়ে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে, যা যানবাহনের চলাচলে চরম ঝুঁকি তৈরি করছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় দুর্ঘটনার পাশাপাশি ছিনতাইয়ের আতঙ্কও বৃদ্ধি পেয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁচপুর সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে মেঘনা সেতুর টোল প্লাজা পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় পাশে বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গেছে। যানবাহনের চাপের কারণে সৃষ্ট গর্তগুলোতে বর্ষণের পানি জমে থাকায় চালকেরা গভীরতা বুঝতে পারছেন না, ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে।
শ্যামলী পরিবহনের যাত্রী মার্জিয়া ইসলাম জানান, দিনের বেলায় গর্তগুলো এড়িয়ে চলা গেলেও রাতে চলাচল করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। প্রাইভেটকার চালক জিহাদুল ইসলাম জিতু বলেন, গর্তে গাড়ির চাকা পড়লে নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে যায়। পরিবহন চালক কবির মিয়া অভিযোগ করেন, প্রতিবছরই দায়সারাভাবে মেরামতের কাজ করা হয়, যা স্থায়ী সমাধান নয়।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম জানান, টানা বৃষ্টির কারণে নতুন করে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে এবং সড়কের পাশের ঘাস ও ঝোপঝাড়ের কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। তিনি জানান, সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যে সড়কটি ঝুঁকিমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ অংশ পুনর্নির্মাণ করা জরুরি।
অনলাইন ডেক্স 
























