ঢাকার সাভারে এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনায় তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে হেমায়েতপুরের যাদুরচর এলাকায় আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা মাদ্রাসার প্রধান ফটকের সামনে এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মা জানান, গত ১১ অক্টোবর দুপুরে তার স্বামীকে ফোন করে জানানো হয়, মেয়ে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে গেছে। এরপর তিনি মাদ্রাসায় গিয়ে খোঁজাখুঁজি করেন এবং রাতে সাভার মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার নিরাপত্তাকর্মী থাকা সত্ত্বেও তার মেয়ে কীভাবে নিখোঁজ হলো, তা জানতে চাওয়ার পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সঠিক তথ্য দিতে পারেনি। এ কারণে বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিবেশীদের নিয়ে মাদ্রাসায় যান তারা।
মাদ্রাসার মিডিয়া শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ ফিরোজী জানান, নিখোঁজ ছাত্রীটি মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী এবং ১১ অক্টোবর সকালে মাদ্রাসা ছুটির পর নিরাপত্তাকর্মীর নজর এড়িয়ে বের হয়ে যায়। তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয় এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো হয়।
সংঘর্ষের বিষয়ে ফিরোজী দাবি করেন, মেয়েটির অভিভাবকেরা শ্রমিক শ্রেণির লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসার সামনে এসে হট্টগোল শুরু করেন এবং মাদ্রাসার ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় অন্য একটি মাদ্রাসার শিক্ষকরা সেখানে উপস্থিত হলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম জানান, নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত চলছে এবং তার বইয়ে লেখা মোবাইল ফোন নম্বরের সূত্র ধরে কাজ করা হচ্ছে।
অনলাইন ডেক্স 
























