ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়নি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০১ Time View

কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তদন্তকারী দল জানিয়েছে, প্রযুক্তির সহায়তায় এবং বিভিন্ন সূত্রের ভিত্তিতে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান আলামত হিসেবে নিহত স্কুলছাত্রীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সুমনের সঙ্গে আরও কারা জড়িত ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তাজমিনকে হত্যা করা হয়েছে, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

গত ৮ অক্টোবর সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর উত্তরপাড়ার ফসলি জমি থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরে পোশাক ছিল না এবং গলায় গামছা পেঁচানো ছিল।

জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের আব্দুল আলীমের মেয়ে। তিনি কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। ৪ অক্টোবর বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। চার দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

ময়নাতদন্তের পর তাজমিনের মরদেহ গ্রামের বাড়ি যশোরে নিয়ে গিয়ে দাফন করা হয়। ঘটনার দিন রাতে নিহতের বাবা আব্দুল আলীম লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি বিশ্বের অনেক গণতান্ত্রিক দেশের চেয়ে উন্নত: বাণিজ্যমন্ত্রী

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়নি

আপলোড সময় : ০৪:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তদন্তকারী দল জানিয়েছে, প্রযুক্তির সহায়তায় এবং বিভিন্ন সূত্রের ভিত্তিতে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান আলামত হিসেবে নিহত স্কুলছাত্রীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সুমনের সঙ্গে আরও কারা জড়িত ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তাজমিনকে হত্যা করা হয়েছে, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

গত ৮ অক্টোবর সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর উত্তরপাড়ার ফসলি জমি থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরে পোশাক ছিল না এবং গলায় গামছা পেঁচানো ছিল।

জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের আব্দুল আলীমের মেয়ে। তিনি কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। ৪ অক্টোবর বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। চার দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

ময়নাতদন্তের পর তাজমিনের মরদেহ গ্রামের বাড়ি যশোরে নিয়ে গিয়ে দাফন করা হয়। ঘটনার দিন রাতে নিহতের বাবা আব্দুল আলীম লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন