রাজশাহীর বাগমারায় ছাত্রদল নেতার ভাড়া নেওয়া পুকুরে মাছ চাষে বাধা ও দখলের অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে। পুকুরটি দখলমুক্ত করা ও বিচারের দাবিতে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ছাত্রদল নেতা। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বাগমারা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ভবানীগঞ্জ পৌরসভা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হোসেন। তিনি অভিযোগ করেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব ডি এম শাহিন, যুবদলের সদস্য শাকিল হোসেন ও কর্মী সাইদুর রহমান পুকুর দখল করে মাছ চাষে বাধা দিচ্ছেন।
নাজমুল হোসেন জানান, চলতি বছর উপজেলা ভূমি অফিস থেকে ৩৮ শতকের একটি খাসপুকুর ইজারা নেয় ‘কসবা একতা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি’। তিনি ওই সমিতির কাছ থেকে পুকুরটি ভাড়া নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন। কিন্তু পরে অভিযুক্তরা পুকুর দখল করে নেন এবং তাঁকে ভয়ভীতি দেখান।
তিনি বলেন, পুকুর দখলমুক্ত করার জন্য তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। ১৭ সেপ্টেম্বর সহকারী কমিশনার (ভূমি) উভয় পক্ষকে ডেকে শুনানি করেন এবং পুকুরটি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। তবে অভিযুক্তরা এখনও পুকুরের দখল ছাড়েননি বলে অভিযোগ করেন নাজমুল।
পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে অভিযুক্তরা দাবি করেন, পুকুরটি আগে থেকেই সাইদুর রহমানের দখলে ছিল এবং নাজমুলের অভিযোগ মিথ্যা। ডি এম শাহিন বলেন, রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।
বাগমারার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান জানান, পুকুরটি ‘কসবা একতা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির’ নামে ইজারা দেওয়া হয়েছে এবং অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি করা হয়েছিল। তবে তিনি সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি।
অনলাইন ডেক্স 

























