রাজধানীর একটি মন্দিরে গত ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত কথিত ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’কে কেন্দ্র করে অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার ও মিথ্যা পরিচয়ের অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানিতে আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আহসান ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল।
রিটে বলা হয়, ১০ জুলাই ওই মন্দিরে তাসনুভা আনান শিশিরকে ‘কনে’ হিসেবে উপস্থাপন করে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ঘটনাটি বাংলাদেশের প্রথম ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’ হিসেবে প্রচারিত হয়।
আবেদনকারীর অভিযোগ, অনুষ্ঠানে ‘শিশির বিশ্বাস’ নামে যে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, সেটির প্রকৃত মালিক মো. জাহিদুল ইসলাম। অন্যের এনআইডি নম্বর ব্যবহার করে ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠিতে বাংলাদেশে লিঙ্গ পরিবর্তনের বৈধতা দেওয়ার মতো কোনো আইন বা বিধান নেই। এ-সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 

























