ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুমনের জীবিকার সংগ্রাম: অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে অটোর স্টিয়ারিংয়ে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:০০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০১ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের সুমন মিয়া প্রতিদিন জীবিকার তাগিদে এক হাতে অটোর স্টিয়ারিং ধরে, অন্য হাতে ১০ মাসের অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে ছুটছেন। ভাড়ায় চালিত ব্যাটারিচালিত অটো দিয়ে সংসার চালান তিনি। একদিন গাড়ি চালাতে না পারলে পরিবারের খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়ে।

৪৫ বছর বয়সী সুমনের সংসারে অভাব নিত্যসঙ্গী। তাঁর স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ এবং ১০ মাস বয়সী সন্তানটিও অসুস্থ। শিশুটির দেখাশোনার জন্য বাড়িতে কেউ না থাকায় বাধ্য হয়ে সুমন তাকে সঙ্গে নিয়েই অটো চালাতে বের হন।

প্রতিদিন ভোরে অটো ভাড়া নিয়ে বের হয়ে সারাদিন পরিশ্রম করে যে আয় করেন, তা দিয়েই সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে হয়। তবে অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসার খরচ জোগানো তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সুমন বলেন, ‘আমি অটো চালালে সংসারে খাবার আসে। যেদিন গাড়ি চালাতে পারি না, সেদিন সংসারে খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে যায়। বাচ্চাকে বাড়িতে রেখে যাওয়ার মতো কেউ নেই।’ তিনি সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।

স্থানীয় অটোচালক কামাল হোসেন ও জামাল মোল্লা সুমনের কষ্টের কথা তুলে ধরেন এবং শিশুটির চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও সুমনের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রান্সজেন্ডার বিয়েতে এনআইডি জালিয়াতির অভিযোগে হাইকোর্টের রুল

সুমনের জীবিকার সংগ্রাম: অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে অটোর স্টিয়ারিংয়ে

আপলোড সময় : ০২:০০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের সুমন মিয়া প্রতিদিন জীবিকার তাগিদে এক হাতে অটোর স্টিয়ারিং ধরে, অন্য হাতে ১০ মাসের অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে ছুটছেন। ভাড়ায় চালিত ব্যাটারিচালিত অটো দিয়ে সংসার চালান তিনি। একদিন গাড়ি চালাতে না পারলে পরিবারের খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়ে।

৪৫ বছর বয়সী সুমনের সংসারে অভাব নিত্যসঙ্গী। তাঁর স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ এবং ১০ মাস বয়সী সন্তানটিও অসুস্থ। শিশুটির দেখাশোনার জন্য বাড়িতে কেউ না থাকায় বাধ্য হয়ে সুমন তাকে সঙ্গে নিয়েই অটো চালাতে বের হন।

প্রতিদিন ভোরে অটো ভাড়া নিয়ে বের হয়ে সারাদিন পরিশ্রম করে যে আয় করেন, তা দিয়েই সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে হয়। তবে অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসার খরচ জোগানো তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সুমন বলেন, ‘আমি অটো চালালে সংসারে খাবার আসে। যেদিন গাড়ি চালাতে পারি না, সেদিন সংসারে খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে যায়। বাচ্চাকে বাড়িতে রেখে যাওয়ার মতো কেউ নেই।’ তিনি সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।

স্থানীয় অটোচালক কামাল হোসেন ও জামাল মোল্লা সুমনের কষ্টের কথা তুলে ধরেন এবং শিশুটির চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও সুমনের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন