কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হক কোম্পানির বিরুদ্ধে ভোটার যাচাই-বাছাই ফরমে স্বাক্ষর পেতে সাধারণ মানুষের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর পেতে তাঁদের দিনের পর দিন ইউনিয়ন পরিষদে ঘুরতে হচ্ছে।
একাধিক অভিযোগে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যানের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেওয়া বা পারিবারিক-সামাজিক সম্পর্কের কারণে তাঁদের হয়রানি করা হচ্ছে। ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তোফাইল জানান, তাঁর ছেলে সাগর আলীকে ভোটার করানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে গেলে স্বাক্ষর না দিয়ে ফাইল রেখে দেওয়া হয়।
সিএনজি চালক ওয়াসিমের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের কাছে গেলে তাঁর ফাইলটি ছিঁড়ে ফেলা হয়। তিনি বলেন, “আমি তো আমার বাপ-দাদার খতিয়ানভুক্ত বাংলাদেশি নাগরিক।” ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাঈদ শিশির জানান, চাকরি থেকে ছুটি নিয়ে ১৪ বার পরিষদে গেলেও স্বাক্ষর পাননি।
অন্যদিকে, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দৌলত জানান, তাঁর পরিবারের সদস্যকে ভোটার ফরমে স্বাক্ষরের জন্য প্রায় দুই মাস ঘুরতে হয়েছে এবং পরে দালালের মাধ্যমে টাকা দিয়ে স্বাক্ষর করাতে হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, দালাল চক্রের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের এনআইডি কার্ডও দেওয়া হচ্ছে।
চেয়ারম্যান আবদুল হক এসব অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করেছেন এবং বলেন, “কেউ যদি এরকম প্রমাণ দিতে পারে, আমি চেয়ারম্যানি ছেড়ে চলে যাব।” রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান অসুস্থ থাকায় এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেননি, তবে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
অনলাইন ডেক্স 























