জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাত নেতার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ে পাঁচজনের অর্জিত সম্পদের অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করে তা শহীদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসনে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নির্বাচনে হলফনামা অনুযায়ী, ওবায়দুল কাদেরের হাতে নগদ ৮০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা, সঞ্চয়পত্রে দেড় কোটি টাকার তথ্য রয়েছে। তার গাড়ির মূল্য ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২৫ তোলা সোনার মূল্য দেড় লাখ টাকা। সব মিলিয়ে কাদেরের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।
আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের হাতে নগদ ৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, ব্যাংকে ৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা এবং শেয়ার ও বন্ডের মূল্য ১১ কোটি ১৪ লাখ টাকা। তার মোট অস্থাবর সম্পদের মূল্য ২৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে মাদারীপুর ও সাভারে ১৩৯ শতাংশ কৃষিজমি রয়েছে, যার মূল্য ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
মোহাম্মদ আলী আরাফাতের স্থাবর সম্পদের মধ্যে গুলশান-২ এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে, যার মূল্য ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে শেয়ারের মূল্য প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে আরাফাতের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।
মাইনুল হোসেন খান নিখিলের স্থাবর সম্পদের মধ্যে কৃষি ও অকৃষিজমির তথ্য রয়েছে। তার মোট স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ৬৯ লাখ ১৬ হাজার টাকা। নিখিলের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ অর্থ ২৪ লাখ টাকার কিছু বেশি এবং তিনটি যানবাহনের মূল্য ১ কোটি ১৪ লাখ টাকার বেশি।
এছাড়া, যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশের সম্পত্তির একটি অংশও বাজেয়াপ্তের তালিকায় রয়েছে। তবে ছাত্রনেতা সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ক্ষেত্রে আদালত সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ দেননি।
অনলাইন ডেক্স 























