তীব্র গরমের কারণে দেশে দিনে-রাতে লোডশেডিং চলছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদার বিপরীতে জ্বালানি সংকটও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন না বাড়ালে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
প্রতি বছর গরমের সময় বিদ্যুতের চাহিদা সামাল দিতে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং করা হয়, তবে এবার রাজধানীতেও লোডশেডিং হচ্ছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়, যেমন বাড্ডা, খিলগাঁও, তেজগাঁও, মগবাজার, মোহাম্মদপুর ও শ্যামলী, নিয়মিত লোডশেডিং হচ্ছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে সমস্যা হচ্ছে। তারা বলেন, “যে সময় বাচ্চাদের পড়াইতে বসাব, ঠিক ওই সময়টাই কারেন্ট থাকতেছে না।” লোডশেডিংয়ের ফলে ফ্রিজের মালপত্র নষ্ট হচ্ছে এবং মধ্যবিত্তদের জন্য জেনারেটর চালানোর মতো সক্ষমতা নেই।
পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, গত মাসের ১০ তারিখে লোডশেডিং হয়েছিল ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট, যা এ বছরের সর্বোচ্চ। চলতি মাসের ১০ তারিখে লোডশেডিং হয়েছে সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াটের মতো। বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছেছে, কিন্তু এলএনজি সংকট, কয়লা ও তেল সংকটের কারণে লোডশেডিং বেড়েছে।
আইইইএফএয়ের প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, বিদ্যুতের চাহিদা ১৯ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হতে পারে। সংকট মোকাবেলায় উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং সিস্টেম লস হ্রাসের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পাওয়ার সেলের সাবেক মহাপরিচালক বি. ডি. রহমতউল্লাহ বলেন, সরকারের পরিকল্পনা নেই এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
অনলাইন ডেক্স 























