ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য সনদ নিয়ে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:২৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০২ Time View

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আতোয়ার রহমানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য সনদ দেওয়ার নামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা জানান, কোনো সরকারি চালান বা অফিশিয়াল রশিদ ছাড়াই তিনি ক্ষুদ্র চা-দোকানি, মুদি ব্যবসায়ী, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বেকারির মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত ৫০০ থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছেন।

নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শারীরিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সনদ দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে যে, আতোয়ার রহমান কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই কেবল টাকার বিনিময়ে সনদ প্রদান করছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আতোয়ার রহমান প্রতিষ্ঠানের ধরণ ও সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে টাকার অঙ্ক নির্ধারণ করেন। সরকারি রশিদ না দেওয়ায় অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নিয়মিতভাবে টাকা দিয়ে আসছেন।

এ বিষয়ে আতোয়ার রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌস জানান, বেআইনি অর্থ আদায়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

১৪ বোয়িং বিমান কেনার চুক্তির তথ্য প্রকাশের দাবিতে আইনি নোটিশ

স্বাস্থ্য সনদ নিয়ে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

আপলোড সময় : ০১:২৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আতোয়ার রহমানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য সনদ দেওয়ার নামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা জানান, কোনো সরকারি চালান বা অফিশিয়াল রশিদ ছাড়াই তিনি ক্ষুদ্র চা-দোকানি, মুদি ব্যবসায়ী, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বেকারির মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত ৫০০ থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছেন।

নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শারীরিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সনদ দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে যে, আতোয়ার রহমান কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই কেবল টাকার বিনিময়ে সনদ প্রদান করছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আতোয়ার রহমান প্রতিষ্ঠানের ধরণ ও সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে টাকার অঙ্ক নির্ধারণ করেন। সরকারি রশিদ না দেওয়ায় অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নিয়মিতভাবে টাকা দিয়ে আসছেন।

এ বিষয়ে আতোয়ার রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌস জানান, বেআইনি অর্থ আদায়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন