দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, মন্ত্রী ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থ পাচারের অভিযোগে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে সাবেক মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস এবং ফেনী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দুদক জানায়, সাবেক মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউসের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানোর সুপারিশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, আলিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমের বিরুদ্ধে জমি দখল, নিয়োগ ও দলীয় পদ বাণিজ্যসহ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়াকিটকি ক্রয়ে দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তও নিয়েছে দুদক। কমিশন অভিযোগ করেছে যে, কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও একটি দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে ওয়াকিটকি ক্রয়ের কাজ দেওয়া হয়েছে এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি দামে ওয়াকিটকি কেনা হয়েছে।
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রীর বিদেশে থাকা অবৈধ সম্পদ জব্দে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের সহায়তা পাওয়া গেছে। একইভাবে, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে আইল অব ম্যানে পাঠানো অভিযোগের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সব সম্পত্তি অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 























